কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদী

কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদীঃ

কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদী

নিজেদের আঙিনায় বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে প্রথম লেগে সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি পিএসজি। পায় হারের তেতো স্বাদ। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ জার্মান চ্যাম্পিয়নদের ঘরের মাঠে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে যেতে হলে তাই দারুণ কিছুই করতে হবে প্যারিসের ক্লাবটিকে। দলটির ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে অবশ্য আশাবাদীদের দলে। তার মতে, ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের রাউন্ডে যেতে পারবে পিএসজি।

কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদী

প্যারিসে গত মঙ্গলবারের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ১-০ গোলে হেরে যায় পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি করেন ফরোয়ার্ড কিংসলে কোমান। প্রথমার্ধে সেভাবে আক্রমণ শাণাতেই পারেনি পিএসজি। বক্সের সামনে থেকে লিওনেল মেসির একটি ফ্রি-কিক প্রতিহত হয়েছিল রক্ষণে, প্রথমার্ধে গোলের জন্য এটিই ছিল পিএসজি একমাত্র শট। বিপরীতে এই সময়ে বায়ার্নের ১০ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।

কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদী

চোটের কারণে এই ম্যাচে এমবাপের খেলা নিয়ে ছিল সংশয়। তবে পিছিয়ে পড়ার পর ৫৭তম মিনিটে তাকে বদলি হিসেবে নামান ক্রিস্তফ গালতিয়ে। এরপরই গতি পায় পিএসজির খেলা। ৭৩ ও ৮২তম মিনিটে ফরাসি তারকা দুবার জালে বলও পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে কোনোবারই গোল মেলেনি। এই দুই দলের দ্বিতীয় লেগের লড়াই হবে আগামী ৮ মার্চ, আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের ভালো করার দারুণ সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন এমবাপে।

কিলিয়ান এমবাপে আশাবাদী

প্রথম লেগের পর বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলার বললেন, তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ইতিবাচক ফলাফল সম্ভব। “আমাদের ম্যাচের শেষ অংশটি মনে রাখতে হবে; আমরা পিছিয়ে ছিলাম কিন্তু আমরা দেখিয়েছি আমরা তাদের সমস্যায় ফেলতে পারি। আমাদের সব খেলোয়াড়কে সুস্থ থাকতে হবে এবং সেখানে জিততে যেতে হবে; (শেষ আটে খেলার) যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।” “আমার খেলার কথা ছিল না কিন্তু আমি সতীর্থদের সাহায্য করতে চেয়েছিলাম, কিছুটা প্রাণশক্তি আনতে চেয়েছিলাম।

আমরা সবকিছুই চেষ্টা করেছি। আজ আমি এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারিনি।” কাক্সিক্ষত ফলাফলের জন্য পরের লেগে আক্রমণাত্বক ফুটবলের বিকল্প নেই বলেই মত কিলিয়ান এমবাপের। “এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের সব খেলোয়াড় সুস্থ আছে, সবাই ভালোভাবে খায়, ঘুমায়। আমরা দেখেছি যে, যখন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি, তখন আমরা ওপরে উঠে খেলতে পারি, আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পারি এবং বায়ার্ন এতে স্বস্তিতে ছিল না।”

Leave a Comment