চোটের কারণে সাধারণত বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ থাকলেও নেইমার সেই পরামর্শ উপেক্ষা করে মাঠে নেমেছেন। কারণ দলের জন্য প্রয়োজন ছিল পূর্ণ ৩ পয়েন্ট। ব্রাজিলের সিরি আ’র ম্যাচে শনিবার বাংলাদেশ সময় সকালে স্পোর্টকে ৩-০ গোলে হারিয়ে জয়ের নায়ক হলেন নেইমার।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে ডি-বক্সের মুখ থেকে বাম পাশে নেইমারকে খুঁজে দেন গুইলেরমে অগাস্তো। নেইমার ডান পায়ে নিচু বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। এরপর মিনিট দশেকের মধ্যেই আত্মঘাতী গোলের ফলে সান্তোসের লিড আরও শক্ত হয়। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে লাফিয়ে উঠে হোয়াও শিমিট হেড করে দলকে ৩-০ এগিয়ে নেন।
এই জয়ের ফলে সান্তোস আপাতত রেলিগেশন শঙ্কা থেকে কিছুটা নিরাপদে আছে। ৩৬ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তারা উঠে এসেছে ১৫ নম্বরে। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নিচে থাকা স্পোর্টের অবনয়ন নিশ্চিত। তবে বাকি দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট পেতে হবে সান্তোসকে। এছাড়াও নিচের দলগুলো যেন বেশি পয়েন্ট না পায়, তা আশা করতে হবে। নয়তো পূর্ণ ৬ পয়েন্ট পেলে সত্ত্বেও অবনমিত হতে পারে দল।
নেইমারের চোটের কথা মনে করেও তিনি মাঠে নেমে দলের জয়ের মূল নায়ক হয়েছেন। তার ঝলকেই টানা চার ম্যাচ জয়হীন থাকার পর সান্তোস আনন্দের সুযোগ পেয়েছে। ৯০ মিনিটের শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকা নেইমার শেষ পর্যন্ত কোচের নির্দেশে প্রতিযোগিতা থেকে উঠানো হয়।
ম্যাচের এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, সান্তোসের আত্মবিশ্বাস ও রেলিগেশন থেকে কিছুটা নিরাপদ অবস্থার ইঙ্গিতও দিয়েছে। নেইমারের অবদানই ছিল ম্যাচের মূল আকর্ষণ। তাঁর দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষ পাসিং এবং গোলদানের ক্ষমতা দলের জন্য সোনার মানের ছিল।
সান্তোস এখন আশা করতে পারে, শেষ দুই ম্যাচে পয়েন্ট আনার মাধ্যমে তারা নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করতে পারবে। নেইমারের আগমনে দলের আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং টিমের মানসিক দৃঢ়তা বেড়েছে।
