রূপায়ণ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীর জলসিঁড়ি গলফ ক্লাবে চার দিনব্যাপী আয়োজিত প্রথম রূপায়ণ আর্মড ফোর্সেস ডে কাপ গলফ টুর্নামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ছিল উৎসবমুখর, যেখানে গলফারদের অংশগ্রহণ এবং আয়োজকদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রশংসিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জলসিঁড়ি গলফ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল এ কে এম রেজাউল মজিদ (অব.)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, যিনি পুরো আয়োজনকে গলফ সংস্কৃতি ও সমাজ উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে অভিহিত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খান অতুল, নওরীন জাহান মিতুল, পরিচালক ওয়ালিদ মুখাই আলী, উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন পি জে উল্লাহ (অব.), সাবেক ফুটবলার আব্দুল গাফফার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিব (অব.), সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবিএম সালাউদ্দিন (অব.), এবং জলসিঁড়ি–রূপায়ণের নানা পর্যায়ের কর্মকর্তা।
চারদিনের এই বড় আয়োজনে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৬০০ গলফার, যেখানে ১৯টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। তাছাড়া বিশেষ অবদান ও পারফরম্যান্সকে বিবেচনায় রেখে দেওয়া হয়েছে একটি বিশেষ পুরস্কারও।
আয়োজকদের বক্তব্য
মাহির আলী খাঁন রাতুল বলেন,
“জলসিঁড়ি গলফ ক্লাবের অবকাঠামো অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ফুটবল, হকি ও ক্রিকেটের মতো গলফেও এখন রূপায়ণ গ্রুপ সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও আমরা এমন উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে চাই ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।”
তিনি আরও জানান, রূপায়ণ ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট টাউন এবং ঢাকায় রূপায়ণ সিটি উত্তরা গড়ে তুলে আবাসন খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল এ কে এম রেজাউল মজিদ স্মৃতিচারণ করে বলেন,
“এই গলফ ক্লাব শুরুর সময় ছিল পুরোপুরি কাগজে। পরে দল নিয়োজিত হয়ে গড়েছেন সবুজ মাঠ, লাগিয়েছেন গাছ, তৈরি করেছেন পরিবেশ। আজ এটি বন্ধুত্ব, ক্রীড়া ও শৃঙ্খলার এক চমৎকার মিলনস্থল।”
তিনি আরও বলেন,
“এই টুর্নামেন্ট সার্থক হয়েছে রূপায়ণের সহযোগিতার কারণে। এমন মাঠে খেললে ছেলে-মেয়েরা প্রযুক্তি থেকে দূরে এসে খেলাধুলায় মনোযোগী হয়।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
উদ্বোধন হয় শনিবার সকালে, বেলুন উড়িয়ে। উদ্বোধন করেন জলসিঁড়ি গলফ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল মো. হাসানুজ্জামান ও রূপায়ণের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল।
হাসানুজ্জামান বলেন,
“জলসিঁড়ির প্রকৃতি অন্য গলফ কোর্সের তুলনায় অনেক আকর্ষণীয়। খেলোয়াড়রা এখানে খেলতে পছন্দ করেন। রূপায়ণের সহযোগিতা ভবিষ্যতের উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।”
রূপায়ণ গ্রুপ ভবিষ্যতেও জলসিঁড়ির উন্নয়ন ও টুর্নামেন্ট আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
