আজকের আলোচনার বিষয় হকি খেলার দল এবং খেলার স্থিতিকাল। এটি হকি খেলার এক নম্বর আইনের অন্তর্গত।
হকি খেলার দল এবং খেলার স্থিতিকাল । হকি খেলার এক নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন
১. হকি খেলা প্রতিদ্বন্দি দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। সর্বাধিক ১৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে একটি দল গঠন করা হবে। প্রত্যেক দলে ১১ জন এর বেশি খেলোয়াড় একসাথে মাঠে খেলবেন না। প্রত্যেক দলে একজন করে নির্দিষ্ট গোল-কীপার থাকবেন অর্থাৎ একজন সাধারণ খেলোয়াড়কে গোল-কীপার হিসেবে চিহ্নিত করে দিতে হবে। যিনি গোল-কীপারের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
২. খেলা চলাকালীন সময় প্রত্যেক দল সর্বাধিক ৫জন করে বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামাতে পারবেন ।
৩. কোন খেলোয়াড়কে একবার বদল করা হলে তাকে পুনরায় অন্য খেলোয়াড়ের বদলি হিসেবে মাঠে নামানো যাবে। তবে কোন বহিষ্কৃত খেলোয়াড়কে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামানো যাবে না।
৪. (ক) খেলা চলাকালে যে কোন সময় খেলোয়াড় বদলি করা যাবে। কিন্তু পেনাল্টি কর্ণার এবং পেনালি স্ট্রোক দেয়া হলে খেলোয়াড় বদলি করা যাবে না, এই সময় কেবল আইন ১.৪ (খ) ধারা অনুযায়ী খেলোয়াড় বদলি করা যাবে ।
(খ)-পেনাল্টি কর্ণার বা পেনাল্টি স্ট্রোক দেয়া হলে যদি কোন খেলোয়াড় আহত হয় বা খেলতে অপরাগ হয় তাহলে তার বদলে ১.৩, ৯.২ (খ) ১৫.৩, (খ) এবং ১৬.২ (ক) অনুসারে খেলোয়াড় বদলি করা যোতে পারে।
৫. খেলার সময়কাল প্রত্যেক অর্ধ ৩৫ মিনিট করে দু’অর্ধে ৭০ মিনিট হবে। তবে খেলার পূর্ব আলোচনা সাপেক্ষে খেলার সময়কাল পরিবর্তন করা যেতে পারে।
৬. খেলার অর্ধবিরতির পর উভয় দল প্রান্ত বদল করে খেলা শুরু করবে। খেলা শুরুর পূর্বে স্থিরীকৃত না থাকলে বিরতির সময়কাল ৫ মিনিটের বেশি হবে না। তবে তা কোন ক্রমেই ১০ মিনিট অতিক্রম করবে না।
৭. আম্পায়ারের বাঁশি বাজার সাথে সাথে ব্যাকপাসের মাধ্যমে খেলা শুরু হবে।
খেলোয়াড় ও আম্পায়ারদের জন্য নির্দেশনা
খেলার সম্পূর্ণ জন্য মাঠের ভিতরের বা বাইরের সকল খেলোয়াড়, বদলি খেলোয়াড় বা পূর্ণ সময়ের জন্য বা সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত খেলোয়াড় গণ আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের আয়ত্বে থাকবেন অর্থাৎ হকির আইনের আওতাধীন থাকবেন।
২. কোন খেলোয়াড় গোলকীপারের বদলি হিসাবে খেলতে আসলে তার হেলমেট পরা প্রয়োজন, যদি যার বদলি নামছে সে হেলমেট পরা অবস্থায় থেকে থাকে। গোলকীপারের বদলি খেলোয়াড়কে সবসময় আত্মরক্ষামূলক পোশাক-পরিচ্ছদ পরে থাকার জন্য জোর সুপারিশ করা হচ্ছে। বদলি খেলোয়াড়কে প্রায়ই ‘কিকিং ব্যাক’ বলে অবিহিত করা হয়। তাদের আচরণ এই নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত।
