ফুটবলের কর্ণার কিকঃ বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর ফুটবল নতুন উদ্যোমে শুরু হয়। ফুটবলের উন্নয়নের জন্য গঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বাফুফের তত্ত্বাবধানে ১৯৭ সালে ঢাকায় ফুটবল লীগ শুরু হয় তাছাড়া খুলনা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে পরবর্তীতে ফুটবল লীগ শুরু হয়। ১৯৭৩ সালে জাতীয় ফুটবল ও ৭৪ সালে জাতীয় যুব ফুটবল শুরু হয়। ১৯৮০ সালে ফেডারেশন কাপ ফুটবল শুরু হয়। এছাড়া আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুল প্রতিযোগিতা ছাড়াও প্রতিটি জেলা ও থানা পর্যায়ে লীগ সহ বিভিন্ন ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ফুটবলের কর্ণার কিক । ফুটবল খেলার সপ্তদশ আইন । খেলাধুলার আইন
রক্ষণ ভাগের যে কোন খেলোয়াড়ের কিকে, হেডিং বা হাত ছাড়া শরীরের যে কোন অংশে লেগে অথবা ইচ্ছাকৃত মারের ফলে এবং গোলকিপারের হাত ছুঁয়ে বলের সম্পূর্ণ অংশ গোলের ভেতরের অংশ বাদ দিয়ে আত্মরক্ষাকারীর গোল লাইনের যে কোন জায়গা দিয়ে শূন্যে অথবা গড়িয়ে মাঠ অতিক্রম করলে কর্ণার এলাকার পতাকার নিচের বৃত্তাংশে বল রেখে গোলের দিকে বিপক্ষের খেলোয়াড় বলে কিক মারাকে কর্ণার-কিক বলে।
১. কর্ণার-কিকের সময় কর্ণার পতাকা সরানো যাবে না।
২. কর্ণার-কিকে সরাসরি গোল হয়।
৩. কর্ণার-কিকের সময় অফসাইড হয় না।
৪. কর্ণার-কিক মারা বল অন্য খেলোয়াড় না খেলা পর্যন্ত কর্ণার কিক মারা খেলোয়াড় খেললে বিপক্ষ দল ইনডিরেক্ট ফ্রি-কিক পাবে।
৫. কর্ণার কিক মারার সময় বিপক্ষীয় খেলোয়াড় বল থেকে ৯ মিটার বা ১০ গজ দূরে থাকবে।
৬. বিপক্ষীয় খেলোয়াড়ের কিক মারা বল হাত ছাড়া শরীরের যে কোন অংশে লেগে অথবা ইচ্ছাকৃত মারের ফলে এবং গোল কিপারের হাত ছুঁয়ে গোলের ভেতরের অংশ বাদ দিয়ে পুনরায় গোল লাইন অতিক্রম করলে আবার কর্ণার-কিক হবে।
৭. যে দিক দিয়ে বল বাইরে যাবে সেই নিকের কর্ণার কোন থেকেই কর্ণার কিক করতে হবে।
