বিপিএলের বড় চমক: নতুন সূচি, নতুন দল—সবশেষ তথ্য প্রকাশ

বহুদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা বিপিএল–১২ নিয়ে অবশেষে গোছানো ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ আলোচনার পর টুর্নামেন্টের সূচি, ভেন্যু এবং প্রয়োজনীয় সময়সূচি প্রকাশ করায় টুর্নামেন্ট ঘিরে অপেক্ষায় থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজি, স্পনসর এবং সমর্থকদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে। এ যেন প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনার নতুন দিগন্ত।

এবারের বিপিএলে বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল ৫০০ এর বেশি। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে ২৫০ জনকে রাখা হয়েছে মূল তালিকায়। একইভাবে বাংলাদেশের ১৫৮ জন ক্রিকেটারও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এই দুটি তালিকা থেকেই আসন্ন ড্রাফটে দলগুলো তাদের স্কোয়াড চূড়ান্ত করবে। ড্রাফট অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর বিকেল ৩টা।

টুর্নামেন্টের পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী খেলা শুরুর ছিল ১৯ ডিসেম্বর এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৬ জানুয়ারি। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা, মাঠ সুবিধা এবং অন্যান্য ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার উদ্দেশ্যে নতুন সময় ঘোষণা করা হয়েছে। এখন বিপিএল শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর এবং শেষ হবে ২৩ জানুয়ারি। এই পরিবর্তনকে অনেক দল ইতিবাচকভাবে নিয়েছে, কারণ প্রস্তুতির জন্য কিছুটা অতিরিক্ত সময় তারা পাচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ডিসেম্বর, যা এবারের আসরের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরপর ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে প্রথম ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। সিলেট পর্ব শেষে বিপিএল যাবে চট্টগ্রামে। এই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলো সাধারণত দর্শক-উত্তেজনার দিক থেকে অত্যন্ত জনপ্রিয়। শেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়, যেখানে হবে কোয়ালিফায়ার, এলিমিনেটর এবং ফাইনাল।

দলসংখ্যায়ও এসেছে নতুনত্ব। বিসিবির প্রাথমিক পরিকল্পনায় ছিল পাঁচ দলের প্রতিযোগিতা। তবে শেষ মুহূর্তে নোয়াখালী এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ায় দলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়। দলগুলোর তালিকা হলো—রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

বিভিন্ন ভেন্যুতে ম্যাচ ছড়িয়ে দেওয়ায় স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমীরাও সরাসরি ম্যাচ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়া বিসিবি আশা করছে, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার দর্শক সমাগম এবারের আসরকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

Leave a Comment