ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচ জয়হীন থাকার পর আর্সেনাল দৃঢ় মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রতিপক্ষ লিডস ইউনাইটেডের শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র একবার হারের রেকর্ড থাকায় গানারদের জন্য এটি সহজ লড়াই হবে না বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু মিকেল আরতেতার দল তৎপরভাবে খেলায় আধিপত্য কায়েম করে এবং অবশেষে জয়ের স্বাদ ফিরিয়ে আনে।
এদিন আর্সেনাল লিডসের বিপক্ষে নিজেদের মাঠের বাইরে ৪-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে। ম্যাচের শুরুতে মার্টিন জুবিমেন্দি আক্রমণে লক্ষ্যভেদ করলে দলের আত্মঘাতি গোলের মাধ্যমে দ্বিতীয় গোল যোগ হয়। পরবর্তীতে ভিক্টর গিওকেরেস দলের চূড়ান্ত ব্যবধান নির্ধারণ করেন। ম্যাচ শেষে আর্সেনাল মাঠ ছাড়ে জয়ী হয়ে, লিগের শীর্ষে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করে।
পয়েন্ট টেবিলে আর্সেনাল ও লিডসের অবস্থান নিম্নরূপ:
| দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | পয়েন্ট | অবস্থান |
|---|---|---|---|---|---|---|
| আর্সেনাল | ২৪ | ১৬ | ৫ | ৩ | ৫৩ | ১ম |
| ম্যানচেস্টার সিটি | ২৪ | ১৪ | ৬ | ৪ | ৪৬ | ২য় |
| লিডস ইউনাইটেড | ২৪ | ৭ | ৫ | ১২ | ২৬ | ১৬তম |
অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং গ্যাব্রিয়েল জেসুস ছাড়া একাদশ সাজান আরতেতা। বুকায়ো সাকার চোটের কারণে তার স্থানে ননি মাদুয়ে নামেন। এছাড়া ভিক্টর গিওকেরেস ও কাই হাভার্টজ একাদশে ফেরেন; হাভার্টজ এ মৌসুমে প্রথমবার লিগের শুরু থেকেই খেলেন। ডেকলান রাইস নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রিমিয়ার লিগে ৩০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং দলে ফিরে আসেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই আর্সেনাল নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়। ২৭ মিনিটে মাদুয়েকের ক্রস থেকে জুবিমেন্দি হেডে গোল করেন। ৩৮ মিনিটে আরেকটি সেট-পিসে মাদুয়েকের ইনসুইং কর্নার ঠেকাতে গিয়ে লিডসের গোলকিপার কার্ল ডারলো নিজেই আত্মঘাতি গোল করেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও আর্সেনালের আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ৬৯ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির বাড়ানো বল থেকে গিওকেরেস তৃতীয় গোল করেন। এরপর বদলি হিসেবে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুস ৮৬ মিনিটে চতুর্থ গোল করে ব্যবধান আরও বড় করেন।
ম্যাচ শেষে মিকেল আরতেতা বলেন, “দল পুরো ম্যাচ ধরে মনোযোগী ছিল। লিডসকে তাদের মাঠে পরাস্ত করা আমাদের জন্য বড় আত্মবিশ্বাস।” এই জয়ের ফলে আর্সেনাল ম্যানচেস্টার সিটির উপরে সাত পয়েন্টের ব্যবধান গড়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করে নিল।
