শচীন ও সাঙ্গাকারাকে টপকে কোহলির জোড়া রেকর্ড

টানা দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার ব্যর্থতা ঝেড়ে ফেলে সিডনিতে স্বরূপে ফিরলেন বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওডিআইতে ম্যাচ জেতানো ৭৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলার পথে তিনি দুটি অসামান্য মাইলফলক অর্জন করেন। এই এক ইনিংসেই তিনি কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা এবং শচীন টেন্ডুলকার দুজনকেই টপকে যান।

কোহলির এই জোড়া রেকর্ডের দিনে ভারত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়।

ম্যাচে ৭৪ রানের ইনিংস খেলার পথে বিরাট কোহলি ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন। তিনি শ্রীলঙ্কান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারার ১৪,২৩৪ রানের দীর্ঘদিনের রেকর্ড টপকে যান। এই ম্যাচের পর কোহলির মোট ওয়ানডে রান দাঁড়িয়েছে ১৪,২৫৫। এই তালিকার শীর্ষে আছেন কেবল শচীন টেন্ডুলকার (১৮,৪২৬ রান)।

পাশাপাশি বিরাট কোহলি শচীন টেন্ডুলকারকে টপকে সাদা বলের ক্রিকেটের (ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি) ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন। ভারতের হয়ে তার মোট রান এখন ১৮,৪৩৭। সিডনিতে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ চলাকালীন কোহলি এই মাইলফলক অর্জন করেন। তিনি শচীন টেন্ডুলকারের ১৮,৩৬৯ রানের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেন।

কোহলি এদিন শচীন টেন্ডুলকারের আরও একটি বড় রেকর্ড ভাঙেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে রান তাড়া করার সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক পঞ্চাশোর্ধ্ব (৫০+) ইনিংস খেলার বিশ্বরেকর্ড এখন কোহলির দখলে। কোহলি এদিন তার ৭০তম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলেন (রান তাড়া করার সময়), যা শচীনের ৬৯টির চেয়ে একটি বেশি।

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এদিন প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ভারত অধিনায়ক শুবমান গিল (২৪) দ্রুত আউট হলে কোহলি ক্রিজে আসেন। এরপর রোহিত শর্মার সাথে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। এই দুই ব্যাটার অবিচ্ছিন্ন ১৬৮ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন।

রোহিত শর্মাও এদিন তার ৫০তম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে শচীন ও কোহলির অভিজাত ক্লাবে যোগ দেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য রোহিত ‘প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ’ নির্বাচিত হন এবং ওয়ানডে ইতিহাসে এই পুরস্কার জেতা সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড গড়েন।

Leave a Comment