এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) আয়োজিত রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। তারকা অলরাউন্ডার দুনিথ ভেল্লালাগের নেতৃত্বে ঘোষিত ১৫ সদস্যের এই দলে রয়েছেন ৯ জন আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। দলটির লক্ষ্য এবার শিরোপা জয় করে তরুণ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো।
আগামী ১৪ নভেম্বর কাতারের দোহায় শুরু হবে এই প্রতিযোগিতা। ২০১৩ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপ-এর নাম এবার পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপ, যাতে আরও বেশি দেশ ও তরুণ প্রতিভা অংশ নিতে পারে।
আগে এই টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব–২৩ দলের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল, যেখানে সীমিতসংখ্যক সিনিয়র খেলোয়াড় অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু এবার বয়সসীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলো তাদের ‘এ’ দল পাঠাচ্ছে, আর সহযোগী সদস্যরা অংশ নিচ্ছে জাতীয় দল নিয়ে।
দলে ভেল্লালাগের সঙ্গে রয়েছেন ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া খেলোয়াড়রা—রমেশ মেন্ডিস, নিশান মাদুশকা, মিলান রত্নায়েকে, বিজয়কান্ত বিয়াসকান্ত, সাহান আরাচিগে, নুয়ানিদু ফার্নান্দো, প্রমোদ মাদুশান এবং লাসিথ ক্রুসপুল। এ ছাড়া ভিশেন হালামবাগেও জায়গা পেয়েছেন, যিনি সম্প্রতি জাতীয় দলে ডাক পেলেও এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন।
রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও হংকং। আগামী ১৫ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টে যাত্রা শুরু করবে শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কা রাইজিং স্টারস স্কোয়াড
| খেলোয়াড়ের নাম | ভূমিকা / মন্তব্য |
|---|---|
| দুনিথ ভেল্লালাগে | অধিনায়ক, অলরাউন্ডার |
| ভিশেন হালামবাগে | সর্বশেষ জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন |
| নিশান মাদুশকা | উইকেটরক্ষক |
| নুয়ানিদু ফার্নান্দো | ব্যাটার |
| লাসিথ ক্রুসপুল | ব্যাটার |
| রমেশ মেন্ডিস | অলরাউন্ডার |
| কাভিন্দু ডি লিভেরা | ব্যাটার |
| সাহান আরাচিগে | ব্যাটার |
| আহান বিক্রমসিংহে | ব্যাটার |
| প্রমোদ মাদুশান | ফাস্ট বোলার |
| গারুকা সানকেথ | স্পিনার |
| ইসিথা বিজেসুন্দারা | ব্যাটার |
| মিলান রত্নায়েকে | বোলিং অলরাউন্ডার |
| বিজয়কান্ত বিয়াসকান্ত | লেগ স্পিনার |
| ট্রাভিন ম্যাথিউ | অলরাউন্ডার |
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড আশা করছে, অভিজ্ঞতা ও তরুণ উদ্যমের এই মিশ্রণ দলটিকে রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। টুর্নামেন্টটি তরুণ ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের চাপের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি বড় সুযোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
