হকি খেলোয়াড়দের পোশাক ও সরঞ্জামাদিঃ ১৮৮৩ সালে হকি এ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়। ১৮৯৫ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম আন্তর্জাতিক হকি ম্যাচে ইংল্যান্ড ৫-০ গোলে আয়ারল্যান্ডকে পরাজিত করে। উল্লেখ্য প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচেও ইংল্যান্ড অংশগ্রহণ করে। এরই মধ্যে ইংল্যান্ডে একাধিক হকি ক্লাব আত্মপ্রকাশ করে।
১৯০৮ সালে অলিম্পিকে হকি অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ খেলা পূর্ণতা লাভ করে। ১৯৪২ সালে ফেডারেশন ইন্টান্যাশনাল দ্যা হকি গঠিত হয়। এটি হকির সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ১৯৫৮ সালে এশিয়ান গেমসে হকি অন্তর্ভুক্ত হয়। বিশ্বকাপ হকির প্রচলন ঘটে আরো অনেক পরে।
১৯৭১ সালে প্রথম বিশ্বকাপ হকির আসর বসে। ক্রিকেটের মত হকি খেলাও স্বল্প সংখ্যক দেশে জনপ্রিয়। পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, হল্যান্ড, ইংল্যান্ড, কোরিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশ হকি খেলার যথেষ্ট পারদর্শী।
হকি খেলোয়াড়দের পোশাক ও সরঞ্জামাদি । হকি খেলার নয় নম্বর আইন
১. বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য প্রত্যেক খেলোয়াড় তাদের ক্লাব বা সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত পোশাক পরবে। গোলকীপার তার নিজের দলের ও বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের থেকে আলাদা রঙের পোশাক পরবেন। কোন খেলোয়াড় বিপজ্জনক স্পাইক, স্টাডস বা জুতো থেকে বেরিয়ে আসা কাঁটাসহ কোন মারাত্মক কিছু ব্যবহার করতে পারবেন না, যা অপর খেলোয়াড়দের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
২. কেবল গোলকীপারগণ বডি প্রটেকটর্স, প্যাড, কিকার কব্জি পর্যন্ত ঢাকা চামড়ার দস্তানা, শিরস্ত্রানসহ মুখোশ, কনুইয়ের প্যাড পরে মাঠে নামতে পারবে।
শাস্তি
কোন খেলোয়াড় এই আইনানুসারে পোশাক না পরলে তাকে মাঠে খেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না।
খেলোয়াড় ও আম্পায়ারদের জন্যে নিদের্শনা
১. গোল-কীপারকে জার্সি বা অন্য কোন জামা তার বডি প্রটেকটরের উপর লাগাতে হবে।
২. গোল-কীপারদের সবসময় আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে থাকার জন্য জোর দিয়ে সুপারিশ করা যাচ্ছে। যা হোক এই ধরণের আত্মরক্ষামূলক পোশাক পরে এমন কোন আচরণ করবে না যে আচরণ মনে হতে পারে ঐ ধরণের পোশাক না পরলে এই ধরণের করা সম্ভাবনা বা নিরাপদ হতো না।
