হকি খেলোয়াড়ের অসদাচরণ । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

হকি খেলোয়াড়ের অসদাচরণ: একজন খেলোয়াড়কে সময় নষ্টকারী বলে বিবেচিত করা হবে। যদি সে বলের কাছে সঠিক স্থানে অবস্থান নেয় এবং অন্যান্য খেলোয়াড়রাও যখন সঠিক অবস্থানে। থাকে তখন বলটিকে খেলার মধ্যে আসতে অকারণে কিছু সময় নষ্ট করে। এটা স্ট্রোকের সময়ও প্রযোজ্য। বাঁশি বেজে যাওয়ার পরও স্ট্রোক নিতে দেরি করলে ।

 

হকি খেলোয়াড়ের অসদাচরণ । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

 

হকি খেলোয়াড়ের অসদাচরণ । হকি খেলার বারো নম্বর আইন ৬। খেলাধুলার আইন

 

খেলোয়াড়েরা অনেকবারই নিজের দলের সুবিধা করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে ভংগ করে । আইন ভংগের সাথে নিচের ঘটনাগুলিও করে।

(ক) ফ্রি-হিট দেয়ার পর বলটি লাথি মেরে সরিয়ে দেয়।

অথবা

(খ) বলটি বিপক্ষ খেলোয়াড়কে ফেরত দেয়ার আগে তুলে দূরে নিয়ে যায়। আইনে বর্ণিত শান্তি অনুযায়ী সমস্ত ইচ্ছাকৃত আইন ভংগ করার শাস্তি দিতে প্রথমেই শক্ত হাতে শাস্তি দিলে এই ধরণের আইন ভংগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি কমে যায়।

 

এরপর এতে যদি প্রয়োজনীয় ফল না পাওয়া যায় তবে সতর্ক বা হলুদ কার্ড দেখান সমীচীন হবে।

(২) কোন খেলোয়াড় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে পারে। তাই এই সময় আম্পায়ার তার দেয়া শাস্তি উল্টিয়ে দেয়ার জন্য তৈরি থাকবেন। এই ব্যাখ্যা অসদাচরণের ব্যাপারে খুবই কার্যকারী। আম্পায়ার যখন তার সিদ্ধান্ত বদলাবেন তখন তিনি পুনরায় বাঁশি বাজাবেন ও নতুন দিকে এবং সে যে খেলোয়াড়-এর আচরণের জন্য আইন বদল করেছেন তার দিকে নির্দেশ করবেন।

 

 

শাস্তির মাত্রা অবশ্যই সব সময় বাড়ান সম্ভব। যথা, আক্রমণ দলকে বিপক্ষ দলের ২৫ গজের মধ্যে ফ্রি-হিট দিলে যদি রক্ষণকারী দলের কোন খেলোয়াড় এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধচারন করে তবে ফ্রি হিট বদলিয়ে পেনাল্টি কর্ণার দেয়া। কিন্তু মনে রাখতে হবে এই ধরণের ঘটনায় পেনাল্টি কর্ণার বদলিয়ে পেনাল্টি স্ট্রোক দেয়া যাবে না।

Leave a Comment