হ্যান্ডবল খেলোয়াড় । হ্যান্ডবল খেলার চার নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

হ্যান্ডবল খেলোয়াড় । হ্যান্ডবল খেলার চার নম্বর আইন

 

হ্যান্ডবল খেলোয়াড় । হ্যান্ডবল খেলার চার নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

১. প্রতি দলের সর্বমোট ১২জন খেলোয়াড় থাকবে এবং স্কোরশীটে তাদের নাম লিপিবন্ধ থাকবে ।

খেলার সময় প্রতি দলে ৬ জন মাঠ খেলোয়াড় ও ১জন গোলরক্ষক মোট ৭জন খেলোয়াড় থাকবে। বাকি ৫জন বদলি খেলোয়াড় হিসেবে থাকবে।

বদলি খেলোয়াড়বৃন্দ ও দলের ৪জন কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউই বদলি বেঞ্চে ও থাকতে পারবে না।

কর্মকর্তাদের নাম স্কোরশীটে উল্লেখ থাকবে এবং খেলার সময় তাদের নাম পরিবর্তন করা যাবে না। তাদের মধ্যে একজন দলের দায়িত্বে থাকবেন এবং একমাত্র তিনিই প্রয়োজনে সময় রক্ষক, স্কোরার বা রেফারির সাথে কথা বলতে পারবেন।

২. খেলা আরম্ভের সময় কমপক্ষে ৫জন খেলোয়াড় অবশ্যই মাঠে থাকতে হবে। খেলা চলাকালীন সময় ও অতিরিক্ত সময়ে বাকি সকল খেলোয়াড় খেলায় যোগদান করতে পারবে। খেলা চলাকালীন সময় মাঠে কোন দলে খেলোয়াড়ের সংখ্যা ৫ জনের কম হলেও খেলা চালানো যাবে ।

 

৩. খেলা শুরু হওয়ার সময় যে খেলোয়াড় উপস্থিত আছে এবং স্কোরশীটে তার নাম থাকলে সে মাঠে খেলতে পারবে। স্কোর-শীটে লিখিত খেলোয়াড়বৃন্দ যে কোন সময় মাঠে খেলতে এবং যে কোন সময় নিজ বদলি-সীমা দ্বারা মাঠে প্রবেশ করতে পারবে ।

কোন কর্মকর্তা বা খেলোয়াড় যদি খেলা আরম্ভের পর মাঠে আসে তবে সময়রক্ষক ও স্কোরারের অনুমোদন সাপেক্ষে খেলায় যোগদান করতে পারবে। কোন অযোগ্য (স্কোর-শীটে যার নাম নেই বা বহিষ্কৃত) খেলোয়াড় মাঠে প্রবেশ করলে উক্ত খেলোয়াড়কে অযোগ্য খেলোয়াড় (Disqualify) ঘোষণা করা হবে এবং বিপক্ষ দলকে একটি ফ্রি-থ্রো করার সুযোগ দেয়া হবে।

 

নোটঃ যদি কোন খেলোয়াড় নিয়ম বহির্ভূত মাঠে প্রবেশ করে বা মাঠ থেকে বের হয়ে থাকে তবে তাকে শান্তি দেয়া হবে। তবে যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল পত্রে বের হয় তবে শাস্তি দেয়া থেকে বিরত থাকবে।

 

৪. যদি কোন খেলোয়াড় বদলি স্থান ব্যতীত অন্য স্থান দিয়ে অথবা মাঠ খেলোয়াড় বের হবার পূর্বে মাঠে প্রবেশ করে তবে উক্ত খেলোয়াড়কে দুই মিনিটের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হবে এবং উক্ত স্থান থেকে বিপক্ষ দলকে একটি ফ্রি-থ্রোর সুযোগ দেয়া হবে। যদি খেলা বন্ধ থাকাকালীন উক্ত ত্রুটিপূর্ণ খেলোয়াড় বনলি হয় তবে উক্ত খেলোয়াড়কে দুই মিনিটের জন্য বহিষ্কার করা হবে, তবে খেলাটি পূর্ব নির্ধারিত অবস্থান থেকে আরম্ভ করা হবে।

অখেলোয়াড়োচিত আচরণ বা মারামারির সময় বা ঠিক তার পর পরই যদি কোন ত্রুটিপূর্ণ খেলোয়াড় বদলি হয় তবে অপরাধী খেলোয়াড়দেরকে যথাক্রমে অযোগ্য খেলোয়াড় ও সাময়িক বহিষ্কার করা হবে।

কোন খেলোয়াড় ভুল প্রবেশের সময় যদি বিপক্ষদলের গোল হবার সম্ভাবনা থাকে তবে সময়রক্ষক তখনই বাঁশির সংকেত দেবেন না। আর যদি গোলের সম্ভাবনা না থাকে তবে তখনই খেলা বন্ধ করা হবে এবং নির্ধারিত শাস্তি প্রদান করা হবে।

৫. যদি কোন খেলোয়াড় বদলি হওয়ার পূর্বে অন্য খেলোয়াড় মাঠে প্রবেশ করে অথবা বদলি ব্যাঞ্চ থেকে অন্যায়ভাবে খেলায় বাধার সৃষ্টি করে তবে তাকে ২মিঃ সাময়িক বহিষ্কার করা হবে এবং এ সময় একজন মাঠ খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করে দেয়া হবে। যাতে ঐ দল ২মিঃ একজন কম খেলোয়াড় থাকে।

সাময়িক বহিষ্কারের ২মিঃ অতিক্রম না হতে যদি উক্ত খেলোয়াড় মাঠে প্রবেশ করে তবে তাকে আবার ২মিঃ সাময়িক বহিষ্কার করা হবে। তখনই আরেকজন খেলোয়াড়কে বাকি সময়টুকুর জন্য মাঠ থেকে বের করা হবে। মাঠ থেকে কে বের হবে তা উক্ত দলের কোচ নির্ধারণ করবেন। আর যদি কোচ না করেন তবে রেফারি যে কোন একজনকে বের করবেন।

নোটঃ দ্বিতীয় সাময়িক বহিষ্কারের সময় যে মাঠ খেলোয়াড়কে মাঠ থেকে বের করা হবে সে ২মিঃ শেষ হওয়ার পূর্বেও একজন বদলি খেলোয়াড়ের পরিবর্তে মাঠে নামতে পারবে।

 

৬. একটি দলের প্রতি খেলোয়াড়কে একই ধরনের পোশাক (uniform) পরতে হবে এবং অন্য দলের রং ভিন্ন হবে যাতে দুইদলকে সহজেই বোঝা যায়। তবে গোলরক্ষকের পোশাক সম্পূর্ণ আলাদা হবে এবং সহজে দেখা যায় এরূপ রং ব্যবহৃত হবে। দুই দলের গোলরক্ষকের পোশাক আলাদা হবে। (আইন ১৮৩) খেলোয়াড়ের নম্বর ১ হতে ২০ পর্যন্ত হতে পারবে। খেলোয়াড়ের পিছনের নম্বর কমপক্ষে ২০ সেঃমিঃ ও সামনের নম্বর কমপক্ষে ১০ সেঃমিঃ উচ্চতা হবে। নম্বরের রং জার্সির রং-এর সাথে বৈষম্যপূর্ণ হতে হবে, যাতে সহজেই দেখা যায়। প্রতি খোলোয়াড় অবশ্যই খেলার জুতো পরবে।

(ঘড়ি, আংটি, চেইন, তাবিজ, জুতা (Sports shoe), মাথা বা মুখের গার্ড, গ্লাস, বা এমন কোন বস্তু যা নিজের বা অন্য খেলোয়াড়ের জন্য বিপদজনক হতে পারে তা পরতে পারবে না। (১৮৩) উক্ত বস্তুগুলি পরিত্যাগ করার পূব পর্যন্ত রেফারি উক্ত খেলোয়াড়কে খেলায় অংশগ্রহণ করতে দেবেন না। দলের অধিনায়ক (Captain) অবশ্যই জার্সির রং- এর সাথে যোগ সাপেক্ষে বাহুতে ৪ সেঃমিঃ প্রশস্ত বাজুবন্ধ (armlet) পরবে।

Leave a Comment