হকির অফসাইড । হকি খেলার তের নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

হকির অফসাইডঃ যে মুহূর্তে বলটি খেলা হচ্ছে সেই সময় যে বলটি খেলছে তার দলের কোন খেলোয়াড় যদি বিপক্ষ দলের ২৫ গজের সীমার মধ্যে থাকে তবে খেলোয়াড়টি।

হকির অফসাইড । হকি খেলার তের নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

এই আইনের জন্য যে কোন দলের খেলোয়াড় যদি পার্শ্বরেখা, প্রান্তরেখা বা গোল লাইনের বাইরেও থাকে তবে তার সেই অবস্থানকে মাঠের ভিতর ধরে নিতে হবে।

অফ সাইডে অবস্থানকারী কোন খেলোয়াড় বল খেলতে বা খেলার জন্য চেষ্টা করতে বা নিজে দলের জন্য কোন সুবিধা আদায়ের চেষ্টা বা বিপক্ষ দলের উপর কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন না।

“অফ সাইড অবস্থা থেকে যদি কোন খেলোয়াড়র সরে ২৫ গজ সীমানার বাইরে চলে এসে বলটি খেলতে চায় তাহলেও তাকে অফ-সাইড বলে ধরা হবে।”

 

আক্রমণকারী দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় বা বিপক্ষ দলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দেরকে অতিক্রম করে এবং তাদের সামনে কেবল বিপক্ষ দলের গোল-কীপার থাকে তখন তারা অফ-সাইড না হয়েও নিজেদের ভিতরে বল আদান প্রদান করতে পারবে, যতক্ষণ তারা বলের পিছনে থাকবে ।

যদি কোন খেলোয়াড় বলটি খেলার পর অফ-সাইড হয় এবং বিপক্ষকে বাধা প্রদান বা অন্যরকম বিঘ্নের সৃষ্টি না করে সে অফ-সাইড থেকে বাঁচার জন্য অফ-সাইড অবস্থান থেকে সরে আসতে চায় তবে অফ-সাইড ধরা উচিত হবে না।

একজন খেলোয়াড় তার উপস্থিতির জন্য অফসাইড হবে না। কিন্তু ঐ স্থানে তার আচরণের জন্য অফসাইড হবে। এমন আচরণ করতে পারবে না যাতে তার দলের সুবিধা হয় বা বিপক্ষের খেলোয়াড় প্রভাব বিস্তার করে । সবচেয়ে সংকটপূর্ণ ব্যাপার হল তখন খেলোয়াড় কোথায় ছিল যখন তার দলের খেলোয়াড় বলটি খেলছিল।

 

একজন খেলোয়াড় অপর খেলোয়াড়কে পাস দিয়ে ড্রিরিং করতে থাকলেও খেলছে বলে ধরা হবে। তার সহ খেলোয়াড়ের উপস্থিতিই রক্ষণ দলের খেলোয়াড়ের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বল যদি রক্ষণদলের খেলোয়াড়ের দ্বারা খেলা বা দিক পরিবর্তন হয়ে থাকে তবুও অফসাইডে থাকা খেলোয়াড়কে সঠিক স্থানে আছে বলে ধরা হবে না।

Leave a Comment