ম্যাচে তখন টটেনহ্যাম হটস্পার ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখানোর পর দল কিছুটা চাপে পড়ে। সেই সুযোগে কোপেনহেগেন আক্রমণে উঠে আসে। তবে এই আক্রমণকে ফিরিয়ে দিতেই যেন লিওনেল মেসির মতো ভর করলেন মিকি ফন ডি ভেন।
নিজেদের ডি-বক্সের কাছে বল পেয়ে একাই প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যান হটস্পার সেন্টার হাফ মিকি। একে একে পাঁচজন প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে তিনি ঢুকে পড়েন ডি-বক্সে এবং বাম পায়ের চমৎকার শটে গোলরক্ষককেও পরাস্ত করেন। এই গোলের ভঙ্গি ও একক দৌড় লিওনেল মেসির আইকনিক গোলগুলোকে মনে করিয়ে দেয়, যেখানে আর্জেন্টাইন মহাতারকা একাই প্রতিপক্ষকে পার করে বল জালে জড়ান।
ম্যাচ শেষে মিকির এই অসাধারণ গোল নিয়ে প্রশংসা করেছেন অনেকেই। ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে টটেনহ্যামের কোচ থমাস ফ্র্যাঙ্কও সরাসরি বলেছেন, “ওই মুহূর্তে মিকি যেন মেসি হয়ে গিয়েছিলেন।”
প্রায় তিন মিনিট পর হোয়াও পালিনহা আরও একটি গোল করেন এবং টটেনহ্যাম হটস্পার নিজেদের ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে জয় নিশ্চিত করে।
২০২৩ সালের আগস্টে উলফসবার্গ ছেড়ে টটেনহ্যামে যোগ দেন মিকি। ডিফেন্ডার হলেও, সাম্প্রতিক সময়ে গোল করার ক্ষেত্রেও তিনি নজর কাড়ছেন। বিশেষ করে মঙ্গলবারের এই গোলটি সবার চোখে যেন সেরা।
টিএনটি স্পোর্টসে নিজের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মিকি বলেন, “গোল করার মুহূর্তটা সত্যিই চমৎকার ছিল। দলের জন্য এমন অবদান রাখতে পারা সবসময়ই আনন্দের।”
ইংল্যান্ডের সাবেক মিডফিল্ডার ওয়েন হারগ্রিভসও মিকির এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সকে প্রশংসা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন, “এমনভাবে ডিফেন্ডার একজন খেলোয়াড়কে এগিয়ে আসতে দেখা সত্যিই অসাধারণ। মিকির গোল আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেছে।”
ম্যাচের ফলাফলের সারসংক্ষেপ:
| দল | গোল |
|---|---|
| টটেনহ্যাম হটস্পার | ৪ |
| কোপেনহেগেন | ০ |
এই গোলের পর টটেনহ্যামের মিডফিল্ড ও ডিফেন্সের সমন্বয় আরও দৃঢ় হয়ে উঠেছে এবং মিকি ফন ডি ভেন এখন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে নজর কাড়ছেন।
