ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেনেগালের বিপক্ষে জয় পেয়েছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। এ জয়ের পথপ্রদর্শক ছিলেন ১৮ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড এস্তেভাও, যিনি দলকে প্রথম লিড এনে দেন। এই গোল ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার চতুর্থ।
লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে সেনেগালকে হারানোর পর ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এস্তেভাওকে নিয়ে প্রশংসা ঝরালেন। আনচেলত্তি বলেন:
“এস্তেভাও ডান দিকটা দারুণভাবে ব্যবহার করেছে। ওর প্রতিভা অবিশ্বাস্য। এত কম বয়সে এত পরিপক্ব খেলা দেখে আমি বিস্মিত। মাঠে যেমন প্রভাব বিস্তার করে, ঠিক তেমনই তার ফিনিশিং নির্ভুল। সে খুবই প্রভাবশালী ফুটবলার। আমি নিশ্চিত, তার হাতে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নিরাপদ।”
মিলিতাও-এস্তেভাও জুটির প্রশংসা
আনচেলত্তি মিলিতাও এবং এস্তেভাওয়ের বোঝাপড়াকেও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন:
“মিলিতাও এবং এস্তেভাও জুটি দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। মিলিতাও শারীরিক ও মানসিকভাবে অসাধারণ ফিট। দুই বছর খেলার বাইরে থাকার পরও তিনি মানসিকভাবে আরও পরিণত হয়েছেন। এস্তেভাওয়ের বয়স এখন কম, তার আরও উন্নতি প্রয়োজন, তবে তার মধ্যে প্রতিভার কোনো ঘাটতি নেই।”
ইতিহাসে সেনেগালের বিপক্ষে ব্রাজিল
| বছর | ম্যাচ | ফলাফল |
|---|---|---|
| ২০১৯ | প্রীতি ম্যাচ | ১-১ ড্র |
| ২০২৩ | শেষ ম্যাচ | ২-৪ পরাজয় |
| ২০২5 | সাম্প্রতিক ম্যাচ | ২-০ জয় (এস্তেভাও গোল) |
এর আগে ব্রাজিল দুই দফায় সেনেগালের মুখোমুখি হলেও জয় পায়নি। তবে এবার এস্তেভাওয়ের গোল ও দলে দৃঢ় পারফরম্যান্স ইতিহাস রচনা করেছে।
বিশ্বকাপ প্রস্তুতি
এস্তেভাওসহ দলটি ইতিমধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। তার পর থেকেই দলটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলছে। এর আগে গত মাসে এশিয়ার দুই দেশের বিপক্ষে খেলেছে দল, যেখানে জয়-পরাজয়ের মিশ্র অভিজ্ঞতা হয়েছে। আনচেলত্তি মনে করেন, তরুণ ফুটবলাররা এই ধরনের ম্যাচে অভিজ্ঞতা অর্জন করে মানসিক ও শারীরিকভাবে আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
এভাবে, এস্তেভাওয়ের উদীয়মান প্রতিভা ও দলের ধারাবাহিক প্রস্তুতি ব্রাজিলের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে আরও নিশ্চিত করেছে।
