আইপিএল নিলামে অবিক্রিত অজি অধিনায়ক!

২০২৬ নারী প্রিমিয়ার লিগের মেগা নিলাম শুরু হতেই এসেছে তুমুল চমক। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি–যিনি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেটের অন্যতম সেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটার–নিলামে অবিক্রীত থাকলেন। পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউই তার ৫০ লাখ রুপির বেজ প্রাইস তে ক্রয় করতে আগ্রহ দেখায়নি।

হিলি সম্প্রতি নারী বিশ্বকাপে পেশি ও আঙুলের ইনজুরিতে ভুগছিলেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তার ফিটনেস নিয়ে অনিশ্চিত, তাই কেউই প্রথম ধাপে হাত তুলেননি। উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৩ সালে UP ওয়ারিয়র্স তাকে ৭০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল।

নিলামে মোট ২৭৬ খেলোয়াড় অংশ নিয়েছে। পাঁচ দলের স্কোয়াডে ৭৩টি ফাঁকা জায়গা, যার মধ্যে ২৩টি বিদেশি কোটার। সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় ছিলেন ১৬ বছরের ভারতীয় দিয়া যাদব ও ভারতী সিংহ, আর সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ছিলেন ৩৭ বছর বয়সী সাবনিম ইসমাইল।

ফ্র্যাঞ্চাইজির কৌশল ও ধরন

ফ্র্যাঞ্চাইজিধরে রাখা খেলোয়াড়রাইট-টু-ম্যাচ সুযোগ
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সনেই
দিল্লি ক্যাপিটালসনেই
কলকাতা নাইট রাইডার্সআছে
বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকসআছে
রাজস্থান রয়্যালসআছে

নিলামের প্রথম ঘণ্টাতেই হিলির নাম অপ্রত্যাশিত চমক হিসেবে উঠে আসে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি হিলি তার ফিটনেস সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তাহলে পরবর্তী রাউন্ডে তার দলে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

নারী ক্রিকেটের এই মেগা লিগ নিলামে উত্তেজনা, কৌশল এবং আন্তর্জাতিক তারকাদের আগমন সব মিলিয়ে দর্শক ও ভক্তদের আগ্রহকে আরও বাড়িয়েছে।

তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ভাই টিম টেক্টর। ২৪ বলে ৩২ রানের কার্যকর ইনিংসে তিনি চাপ সামলানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় গতিও বজায় রাখেন। এই দুই ভাইয়ের জুটি মাঝের ওভারে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে খানিকটা দূরে সরিয়ে দেয়।

পাওয়ারপ্লেতেই আয়ারল্যান্ড শক্ত ভিত গড়ে তোলে। পল স্টার্লিং ও হ্যারি টেক্টরের ব্যাটে প্রথম ছয় ওভারে আসে ৪৮ রান। স্টার্লিং ৩০ বলে ৪৮ রানের ঝরঝরে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছক্কা। তার বিদায়ের পরও রানপ্রবাহ থেমে থাকেনি। মাঝের ওভারে টেক্টর ভাইদের ২৪ বলে ৩১ রানের জুটি ইনিংসকে এগিয়ে নেয় পরিকল্পিত পথে।

শেষ দিকে ছোট কিন্তু কার্যকর ঝড় তোলেন কার্টিস ক্যাম্ফার। ১৫ বলে ২৫ রানের ইনিংসে তিনি শেষ ওভারগুলোতে রানরেট আরও বাড়িয়ে দেন। এতে করে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও কঠিন।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন তানজিম হাসান সাকিব। ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন তিনি। শরীফুল ইসলাম শুরুতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ দেখালেও মাঝের ওভারগুলোতে ছন্দ হারান। স্পিনার নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও টেক্টর ভাইদের বাউন্ডারি ঠেকাতে ব্যর্থ হন। শেষদিকে মোস্তাফিজুর রহমান একটি ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরালেও ততক্ষণে আয়ারল্যান্ড বড় সংগ্রহের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

Leave a Comment