পাপুয়া নিউ গিনির জাতীয় ক্রিকেটার কিপলিন দোরিগা সম্প্রতি একটি বড় ধাক্কা সামলাতে বাধ্য হয়েছেন। জার্সির রয়্যাল কোর্ট তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভুবনে একটি বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ৩০ বছর বয়সী উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান দোরিগা বিদেশ সফরের সময় ডাকাতি এবং এক নারীর ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত হন।
ঘটনা ঘটে গত আগস্ট মাসে, যখন দোরিগা ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চ্যালেঞ্জ লিগ খেলতে ব্রিটেনের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল জার্সি সফরে যান। তিনি ডেনমার্ক এবং কুয়েতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে তার অংশগ্রহণের কথা থাকা আরও কয়েকটি ম্যাচ স্থগিত হয়ে যায় তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও নারী ওপর হামলার অভিযোগের কারণে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২৫ আগস্ট রাত আড়াইটার দিকে দোরিগা হোটেল ফেরার পথে হিলারি স্ট্রিটে এক নারীর ওপর হঠাৎ হামলা চালান। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জার্সি পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন বিভাগ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। অভিযুক্তকে দ্রুত শনাক্ত, গ্রেপ্তার ও চুরি হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ডিটেকটিভ সার্জেন্ট জিম ম্যাকগ্রানাহান বলেন, “এই ধরনের ঘটনার জন্য আমরা শূন্য সহনশীলতা নীতির অধীনে কাজ করি। দ্বীপের মানুষের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”
দোরিগা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যথেষ্ট অভিজ্ঞ। পাপুয়া নিউ গিনির হয়ে ৩৯ ওয়ানডে এবং ৪৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। দুই সংস্করণ মিলিয়ে তার সংগ্রহ ১০৮৯ রান। তবে এই কারাদণ্ড তার ক্রিকেট জীবনের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
দোরিগার এই ঘটনা ক্রিকেট জগতের জন্য এক সতর্কবার্তা। বিদেশ সফরে আইনগত এবং সামাজিক দায়িত্বের গুরুত্ব এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। জার্সি আদালতের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের আচরণ এবং দায়িত্ববোধের ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
