২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল ট্রফিটি বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছে। কোকা-কোলা আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলা আগামী ১৪ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছাবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবলভক্তরা সরাসরি বিশ্বকাপের মূল ট্রফি কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাবেন এবং খেলাধুলার উত্তেজনা ও আবেগ আরও প্রকটভাবে অনুভব করতে পারবেন।
কোকা-কোলা কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট (গ্লোবাল অ্যাসেটস, ইনফ্লুয়েন্সারস অ্যান্ড পার্টনারশিপস) মিকায়েল ভিনে বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুরের মাধ্যমে আমরা ভক্তদের খেলার কেন্দ্রবিন্দুর আরও কাছে নিয়ে আসতে পেরে আনন্দিত। এবারের ট্যুর ফুটবলের উত্তেজনা ও আবেগ কাছ থেকে অনুভব করার একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি ফুটবল ম্যাচের সময় যে উত্তেজনা, আবেগ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়, সেই অনুভূতিগুলো উদযাপন করার জন্যই এই ট্রফি বাংলাদেশে আনা হচ্ছে।’
বিশ্বব্যাপী এই ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে ট্রফি ৩০টি ফিফা সদস্য দেশে সফর করবে। মোট ৭৫টি স্থানে, প্রায় ১৫০ দিনের এই সফরে ফুটবলপ্রেমীরা একবার হলেও মূল ট্রফি কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য পাবেন।
ফিফার চিফ বিজনেস অফিসার রোমি গাই জানিয়েছেন, ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি খেলাধুলার জগতে সবচেয়ে বড় প্রতীক হিসেবে পরিচিত। কোকা-কোলার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ফুটবলভক্তরা বিশ্বকাপের আবেগ সরাসরি অনুভব করতে পারেন। এবারের ট্রফি ট্যুরটি আরও বিশেষ, কারণ এটি ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর বাই কোকা-কোলার ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। গত দুই দশকে ট্রফিটি ২১১টি ফিফা সদস্য দেশের মধ্যে ১৮২টিতে সফর করেছে।
বাংলাদেশের ফুটবলভক্তদের জন্য কোকা-কোলা চালু করেছে ইন্টারঅ্যাকটিভ ‘আন্ডার দ্য ক্যাপ’ প্রোমো ক্যাম্পেইন। এর মাধ্যমে ভক্তরা ট্রফি দেখার টিকিট জেতার সুযোগ পাবেন এবং ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলতে পারবেন। অংশ নিতে ভক্তদের ১ লিটার কোকা-কোলার প্রোমো প্যাক কিনে বোতলের লেবেলে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। প্রতি ঘণ্টায় দ্রুততম সঠিক উত্তরদাতারা ট্রফি দেখার টিকিট জিতবেন।
এছাড়া, ট্যুরটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্যাকেজিং সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন টেকসই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। এটি প্রথমবারের মতো তিনটি দেশে—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে। এবার অংশ নেবে সর্বাধিক দল এবং অনুষ্ঠিত হবে সর্বাধিক ম্যাচ। বাংলাদেশে আসা ট্রফি দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হবে এবং বিশ্বকাপের উত্তেজনা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেবে।
