বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসের এক অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, সফল প্রশিক্ষক ও দক্ষ সংগঠক আবদুস সাদেক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইননা ইলাইহি রাজিউন)। দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর যাবৎ মারাত্মক ও দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে পরাস্ত হয়েছেন এই কীর্তিমান পুরুষ। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে দেশের এই প্রথিতযশা ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি তাঁর কর্মময় ও বর্ণাঢ্য জীবনের সমাপ্তি টেনে রেখে গেছেন স্ত্রী, দুই পুত্র এবং এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও ভক্ত-অনুরক্ত। মরহুমের প্রথম জানাজার নামাজ আজ বাদ আসর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকে অবস্থিত বায়তুস সোবহান জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী কাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বনানী ওল্ড ডিওএইচএস মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজার নামাজ সম্পন্ন করা হবে।
পারিবারিক পরিচিতি ও ক্রীড়া আবহ
আবদুস সাদেক ১৯৪৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর একটি অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত এবং ক্রীড়ানুরাগী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা অ্যাডভোকেট আবদুস সোবহান ব্রিটিশ আমলের একজন অত্যন্ত খ্যাতনামা ও প্রথম সারির সাঁতারু ছিলেন, যার সুবাদে পারিবারিক সূত্রেই তিনি ক্রীড়া সংস্কৃতির পাঠ লাভ করেন। মরহুমের ছোট ভাই হলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, যিনি নিজেও একসময় মাঠ কাঁপানো হকি তারকা ছিলেন। এ ছাড়া আবদুস সাদেকের বড় ছেলে ইশতিয়াক সাদেক বর্তমানে দেশের প্রথম ও একমাত্র পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক পরিচিত মুখ।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ও ভাষাগত দক্ষতা
পাকিস্তান আমলের বৈরী ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যখন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মেধা প্রকাশের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত ছিল, সেই সময়েও আবদুস সাদেক নিজের অনন্য পারদর্শিতার জোরে অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় হকি দলে স্থান করে নিয়েছিলেন। ১৯৬৮ সালের অলিম্পিক দলেও তিনি ডাক পেয়েছিলেন, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইনজুরির বা আঘাতের কারণে সেবার অলিম্পিকের মূল মঞ্চে তাঁর মাঠে নামা সম্ভব হয়নি। তবে পাকিস্তান জাতীয় হকি দলের সদস্য হিসেবে তিনি ১৯৬৯ সালে দীর্ঘ দেড় মাসের এক ইউরোপ সফর সম্পন্ন করেন। এই সফরে তাঁরা জার্মানি, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডের মতো বিশ্বসেরা দলগুলোর বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলেন এবং সফর শেষে দেশে ফেরার পথে মিসরের জাতীয় দলের সঙ্গেও একটি প্রীতি ম্যাচে অংশ নেন। এই ইউরোপীয় সফরে চমৎকার মাঠের নৈপুণ্য বা ক্যারিশমা প্রদর্শন করে তিনি বিশ্ব হকি মহলে দ্রুত পরিচিতি লাভ করেন। বিশেষ করে তৎকালীন সময়ের বিশ্ব হকি তারকা রশিদ জুনিয়রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন তিনি। ১৯৬৮ সালের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান দলের অধিকাংশ খেলোয়াড় ও সেরা তারকারা ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন না। কিন্তু আবদুস সাদেক ইংরেজি ভাষায় অত্যন্ত দক্ষ ও সাবলীল থাকার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গন, আম্পায়ার ও প্রতিপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দলের সবার কাছে তাঁর একটি আলাদা কদর ও বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা ছিল।
দুই ভাইয়ের ঐতিহাসিক হকি যুগলবন্দি
আবদুস সাদেকের পাশাপাশি তাঁর অনুজ আহমেদ আকবর সোবহানও হকিতে দারুণ সুনাম অর্জন করেছিলেন। মাঠের ‘রাইট হাফ’ পজিশনে আহমেদ আকবর সোবহানের দুর্দান্ত খেলা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান যুবদলে এই দুই ভাই দীর্ঘ সময় একসঙ্গে মাঠ কাঁপিয়েছেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের জাতীয় হকি চ্যাম্পিয়নশিপে আবদুস সাদেক কুমিল্লা জেলা দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই আসরের ঐতিহ্যবাহী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে তাঁর ছোট ভাই আহমেদ আকবর সোবহানের দেওয়া একমাত্র ও জয়সূচক গোলেই কুমিল্লা জেলা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল।
আবাহনী ক্রীড়াচক্রের অগ্রযাত্রা ও ঐতিহাসিক অপরাজিত চ্যাম্পিয়নশিপ
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে এক নতুন এবং অত্যন্ত শক্তিশালী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আবাহনী ক্রীড়াচক্রের (বর্তমান ঢাকা আবাহনী লিমিটেড)। ক্লাবের দূরদর্শী প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ কামাল নতুন এবং তারুণ্যদীপ্ত এই দলটিকে শৃঙ্খলার সাথে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতার সন্ধান করছিলেন। শেখ কামালের সেই জহুরি চোখ খুঁজে নেয় আবদুস সাদেককে, যিনি স্বাধীনতার আগে থেকেই ভিক্টোরিয়া ও দিলকুশার মতো তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় ও জনপ্রিয় ক্লাবগুলোতে খেলে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন। শেখ কামাল পরম আস্থায় ঢাকা আবাহনীর ফুটবল এবং হকি—উভয় দলেরই প্রথম অধিনায়কের ঐতিহাসিক দায়িত্ব আবদুস সাদেকের কাঁধে তুলে দেন। হকি দলের অধিনায়ক হিসেবে আবাহনীকে টানা তিনবার অর্থাৎ হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন করে তিনি শেখ কামালের সেই আস্থার শতভাগ প্রতিদান দিয়েছিলেন।
ফুটবলার হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর ১৯৭৭ সালে আবদুস সাদেক আবাহনীর ফুটবল দলের প্রধান প্রশিক্ষক বা কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষক হিসেবে প্রথম বছরই তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য ও নতুন রেকর্ডের জন্ম দেন। ১৯৭৭ সালের ফুটবল লিগে আবদুস সাদেকের প্রশিক্ষণে আবাহনী কোনো ম্যাচেই হারের মুখ দেখেনি। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র তিনটি ম্যাচ ড্র করা ছাড়া বাকি সবকটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে দাপটের সাথে পরাজিত করে তারা। এর ফলে স্বাধীন বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম ক্লাব বা দল হিসেবে ‘অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন’ হওয়ার এক ঐতিহাসিক ও বিরল গৌরব অর্জন করে ঢাকা আবাহনী।
সফল ক্রীড়া সংগঠক ও আন্তর্জাতিক হকি কূটনীতি
প্রশিক্ষকের ভূমিকা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর আবদুস সাদেক ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তাঁর কর্মজীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮Custom সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তাঁর একক দূরদর্শিতা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ১৯৮৫ সালে এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট ‘এশিয়া কাপ হকি’ ঢাকায় সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকৃতপক্ষে ওই বছর এই টুর্নামেন্টের মূল আয়োজক দেশ হওয়ার কথা ছিল জাপানের। কিন্তু এশিয়ান হকি ফেডারেশনের (AHF) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আবদুস সাদেকের যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য, জোরালো দাবি ও উপস্থাপনায় মুগ্ধ হয়ে এশিয়ার পরাশক্তি পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরান একযোগে বাংলাদেশকে সমর্থন প্রদান করে। ফলে জাপানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ সেবার আয়োজক হওয়ার ঐতিহাসিক স্বত্ব লাভ করে।
বাংলাদেশের হকি কিংবা ফুটবলের যেকোনো অভ্যন্তরীণ সংকট বা প্রশাসনিক জটিলতায় তিনি সব সময়ই অগ্রভাগে থেকে সংকট মোচন করেছেন। ২০১৭ সালে দীর্ঘ সময় পর ঢাকায় যখন দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপ হকির আসর বসে, সেখানেও পর্দার আড়ালে মূল সমন্বয়ক ও চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছেন আবদুস সাদেক। বাংলাদেশের হকিতে আধুনিকায়নের ছোঁয়া, ফ্লাডলাইট স্থাপন, উন্নত ইলেকট্রনিক স্কোর বোর্ড এবং আন্তর্জাতিক মানের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা মূলত তাঁরই অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফসল। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের (FIH) তৎকালীন সভাপতি নেগ্রে যখন ঢাকা সফরে এসেছিলেন, তখন আবদুস সাদেকের সাথে প্রথম দেখাতেই তিনি তাঁকে চিনে নেন এবং ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘সাদেক একজন কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সাদেকের হাত ধরেই বাংলাদেশের হকির প্রকৃত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সম্ভব হবে।’
সংকটকালীন কাণ্ডারি ও জাতীয় দলের নেতৃত্ব
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর আবাহনী ক্রীড়াচক্রের অস্তিত্ব চরম সংকটের মুখে পড়ে। তৎকালীন রাজনৈতিক বৈরী পরিস্থিতি ও ভয়ে অনেক খেলোয়াড় এবং সংগঠক ক্লাবে আসা বন্ধ করে দেন, এমনকি অনেকেই জীবন বাঁচাতে বিদেশে পাড়ি জমান। ক্লাবের এই চরমতম দুঃসময়ে ও ক্রান্তিলগ্নে শেখ কামালের পরম যত্নে গড়া প্রিয় ক্লাবটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে অসীম সাহসিকতার সাথে এগিয়ে আসেন আবদুস সাদেক। তিনি নিজের ধানমণ্ডির বাসভবনকে সাময়িকভাবে ক্লাবের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেন এবং সমস্ত ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে একত্রিত করে আবাহনীকে পুনরায় মাঠে নামানোর চূড়ান্ত নেতৃত্ব দেন। সংকটের সেই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়ে তাঁর এই অকুতোভয় ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণেই আজকের ঢাকা আবাহনী লিমিটেড মাথা উঁচু করে টিকে রয়েছে। ক্লাবের প্রতি তাঁর এই অবিস্মরণীয়, নিঃস্বার্থ ও অসামান্য অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে আবাহনী লিমিটেড কর্তৃপক্ষ তাঁকে ক্লাবের সম্মানসূচক ‘আজীবন সদস্য’ পদ প্রদান করে।
বাংলাদেশের জাতীয় হকির ইতিহাসেও তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে যখন স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম হকি জাতীয় দল গঠন করা হয়, তখন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঐতিহাসিক গৌরব লাভ করেন আবদুস সাদেক। সেই সিরিজে তাঁর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ একটি ম্যাচে জয়, একটিতে ড্র এবং একটি ম্যাচে পরাজয় বরণ করে। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ যখন প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে অংশ নেয়, সেই ঐতিহাসিক এশিয়ান গেমসের মূল মঞ্চেও বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন এই কিংবদন্তি। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর এই অনন্য ও অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৬ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মাননা ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার’-এ ভূষিত করে।
নিচে আবদুস সাদেকের দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় ক্রীড়াজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং অর্জনসমূহ একটি টেবিলের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| সময়কাল / বছর | অর্জিত পদ বা বিশেষ ভূমিকা | ক্রীড়া ক্ষেত্র / ইভেন্ট | প্রধান সাফল্য ও অবদান |
| ১৯৪৬ (১৭ সেপ্টেম্বর) | জন্ম | — | এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া পরিবারে জন্ম। |
| ১৯৬৮ | জাতীয় দলের খেলোয়াড় | হকি | পাকিস্তান অলিম্পিক দলে ডাক লাভ (ইনজুরির কারণে খেলা হয়নি)। |
| ১৯৬৯ | জাতীয় দলের খেলোয়াড় | হকি | পাকিস্তান দলের হয়ে দেড় মাসের সফল ইউরোপ সফর। |
| ১৯৭২ | প্রথম দলীয় অধিনায়ক | ফুটবল ও হকি | ঢাকা আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রথম ফুটবল ও হকি অধিনায়কত্ব গ্রহণ। |
| ১৯৭৩ | দলীয় অধিনায়ক | হকি | কুমিল্লা জেলা দলের অধিনায়ক হিসেবে জাতীয় হকি চ্যাম্পিয়নশিপ জয়। |
| ১৯৭৭ | প্রধান প্রশিক্ষক (কোচ) | ফুটবল | ঢাকা আবাহনীকে দেশের ইতিহাসে প্রথম ‘অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন’ করার রেকর্ড। |
| ১৯৭৭-৭৮ | প্রথম জাতীয় অধিনায়ক | হকি | স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অফিসিয়াল জাতীয় হকি দলের অধিনায়কত্ব। |
| ১৯৭৮ | জাতীয় অধিনায়ক | হকি | এশিয়ান গেমসে প্রথমবার অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব প্রদান। |
| ১৯৮৩ – ১৯৮৫ | সাধারণ সম্পাদক | হকি সংগঠন | বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন। |
| ১৯৮৫ | মূল সমন্বয়ক / আয়োজক | হকি কূটনীতি | জাপানের কাছ থেকে স্বত্ব ছিনিয়ে নিয়ে ঢাকায় সফলভাবে ‘এশিয়া কাপ হকি’ আয়োজন। |
| ১৯৯৬ | পুরস্কার প্রাপক | রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি | ক্রীড়াঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য ‘জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার’ লাভ। |
| ২০১৭ | প্রধান উপদেষ্টা / সংগঠক | হকি | ঢাকায় দ্বিতীয়বার সফলভাবে এশিয়া কাপ আয়োজন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন। |
