প্রায় ২৪ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ: সর্বশেষ ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলে বাংলাদেশ দল। এরপর, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়ানডে ম্যাচ খেললেও টেস্ট খেলা হয়নি টাইগারদের। তবে, সামনেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের।
প্রায় ২৪ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আগামী চার বছরের ভবিষ্যৎ সফরসূচি (ফিউচার ট্যুর প্ল্যান-এফটিপি) প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে আইসিসি। আগামী দুই চক্র তথা ২০২৩-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৭ পর্যন্ত কোন দল কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এবং কয়টি করে ম্যাচ খেলবে তা নির্ধারিত থাকে এফটিপিতে।
এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি এফটিপির। তবে জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নয় দলের ভবিষ্যৎ সফরসূচি। আইসিসির পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় পাশ হলেই আগামী চার বছরের সফর নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করতে পারবে দলগুলো।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী চার বছরে এফটিপিতে মোট ৩৪টি টেস্ট পাবে বাংলাদেশ দল। এর মধ্যে ২০২৩-২০২৫ চক্রে ছয়টি সিরিজ এবং ২০২৫-২০২৭ চক্রে থাকছে আরও ছয়টি টেস্ট সিরিজ। এর বাইরে কোনো দেশের সঙ্গে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেও সিরিজ আয়োজন করা যাবে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৩-২০২৫ চক্রে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে খেলবে নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। এছাড়া বিদেশ সফরে গিয়ে খেলতে হবে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। ঘরের মাঠের তিন সিরিজ নিয়ে আশাবাদী হতেই পারে টাইগাররা।
পরের চক্রেই ঘুচবে বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার আক্ষেপ। ফাঁস হওয়া এফটিপি অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৭ চক্রে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের তিন সিরিজ অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সবশেষ ২০০৩ সালে অসিদের মাটিতে টেস্ট খেলেছিল টাইগাররা।
এই চক্রে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানকে। এ তিন সিরিজের মধ্যে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশ দলের সামনে। সবমিলিয়ে এই দুই চক্রে বাংলাদেশের টেস্টের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৪টি।
