
রিয়ালের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবে খেলা অত্যন্ত সম্মানের: কুকুরেয়া
স্প্যানিশ ফুটবলের পরিচিত মুখ মার্ক কুকুরেয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। সোমবার ভালদেবেবাসে অবস্থিত ক্লাবের নিজস্ব স্পোর্টস সিটিতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন এই তারকা ফুটবলারকে সমর্থকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবের জার্সিতে নাম লেখাতে পেরে নিজের উচ্ছ্বাস ও সন্তুষ্টির কথা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন এই ডিফেন্ডার।
রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার দিনটিকে নিজের এবং তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত বিশেষ ও স্মরণীয় এক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন কুকুরেয়া। ক্লাবটির অফিসিয়াল উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে এসে তিনি নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, এটি তার জীবনের অন্যতম বড় সম্মানের বিষয়। দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর মনে হওয়া গ্রীষ্মকালীন দলবদলের প্রক্রিয়া পেরিয়ে অবশেষে এই ক্লাবে এসে পৌঁছাতে পেরে তিনি ভীষণ আনন্দিত। অতীতে রিয়াল মাদ্রিদ যেসব ট্রফি জিতেছে এবং ভবিষ্যতে যে সমস্ত গৌরব অর্জনের সুযোগ রয়েছে, সেই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের অংশ হতে পারাটা তার জন্য দারুণ গর্বের। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রিয়ালের জার্সিতে তার এই নতুন অধ্যায়টি অত্যন্ত চমৎকার হবে এবং দল মিলে তারা প্রচুর ট্রফি ঘরে তুলবে।
কিংবদন্তিতুল্য সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে নিজের নতুন যাত্রা শুরু করার অধীর অপেক্ষার কথাও জানান কুকুরেয়া। অতীতে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় হিসেবে এই আইকনিক স্টেডিয়ামে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সেই স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বার্নাব্যু কতটা অভিজাত ও নজরকাড়া স্টেডিয়াম তা তার ভালো করেই জানা আছে। মাঠে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে তিনি দেখেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সেই মহাকাব্যিক রূপকথা আর অবিশ্বাস্য সব কামব্যাকের দৃশ্য। যখন মনে হতো ম্যাচটি প্রায় শেষের পথে এবং হার নিশ্চিত, ঠিক সেই মুহূর্তে মাত্র দশ মিনিটের ব্যবধানে সবকিছু বদলে দেওয়ার অনন্য ক্ষমতা রয়েছে এই ক্লাবটির।
ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সফল এই ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর কুকুরেয়ার এই মন্তব্য ভক্তদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছে। নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে এবং কোচিং স্টাফের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি কতটা উন্মুখ হয়ে আছেন, তার পরিষ্কার প্রতিফলন ঘটেছে এই অনুষ্ঠানে। সমর্থক থেকে শুরু করে ক্লাব কর্তারাও এখন মাঠে তার পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।