ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত দিবারাত্রির টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করতে নামলে ২১ ওভার খেলে ৬.১৯ গড়ে রান সংগ্রহ করে। ইংল্যান্ডের বোলাররা রান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও তুলে নেন। ওপেনার জ্যাক ওয়েদারাল্ড ও মারনাস লাবুশেনকে আউট করে ইংল্যান্ড তাদের চাপ আরও বৃদ্ধি করে।
প্রথম সেশনে অস্ট্রেলিয়া ট্রাভিস হেডের উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান সংগ্রহ করেছিল। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট করতে নেমে তারা ২৩ ওভার ব্যাট করে আরও দুটি উইকেট হারিয়ে ৯৮ রান যোগ করে। সেশন শেষে তিন উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ২২৮ রানে।
ওয়েদারাল্ড ৭৮ বল খেলে ৭২ রান সংগ্রহ করেন। জফরা আর্চারের ইয়র্কারে এলবিডব্লু হয়ে তিনি ব্যাটসম্যানদের তালিকা থেকে বাদ যান। এরপর তৃতীয় উইকেটে স্টিভেন স্মিথ ও লাবুশেন ৫০ রানের জুটি গড়েন। লাবুশেন ৭৮ বল খেলে ৬৫ রান করেন এবং বেন স্টোকসের বলে উইকেটকিপার জেমি স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।
দ্বিতীয় সেশনের ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলেই আর্চারের ইয়র্কারে ওয়েদারাল্ড আউট হন। লাবুশেনের ইনিংস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ তিনি ৬৬ বল খেলে নিজের ২৫তম টেস্ট ফিফটি পূর্ণ করেন এবং দিবারাত্রির টেস্টে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। তার ইনিংসে ৫০.৮ শতাংশ রান এসেছে স্কয়ার এবং লেগ সাইড থেকে, যা তার ব্যাটিং বৈচিত্র্য প্রকাশ করে।
চতুর্থ উইকেটে স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন অপরাজিত ৩২ রানের জুটি গড়ে ব্যাটিং অব্যাহত রেখেছেন। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা নিজেদের ইনিংসে দক্ষতা এবং ধৈর্যের সমন্বয় দেখিয়ে ইংল্যান্ডের চাপ মোকাবিলা করছেন।
নিম্নে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স টেবিলে সংক্ষেপ করা হলো:
| ব্যাটসম্যান | রান | বল | আউটের ধরন | বোলার/উইকেটকিপার |
|---|---|---|---|---|
| জ্যাক ওয়েদারাল্ড | ৭২ | ৭৮ | এলবিডব্লু | জফরা আর্চার |
| মারনাস লাবুশেন | ৬৫ | ৭৮ | ক্যাচ | জেমি স্মিথ (বেন স্টোকস) |
| ট্রাভিস হেড | — | — | আউট | — |
দ্বিতীয় দিনের এই সেশনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা ইংল্যান্ডের বোলিং অক্রমণ মোকাবেলায় স্থির মানসিকতা দেখিয়েছেন। বিশেষ করে লাবুশেনের শতকের পথে অগ্রগতি এবং ওয়েদারাল্ডের শক্তিশালী ইনিংস দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। সেশন শেষে তিন উইকেটে ২২৮ রানের অবস্থায় অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনা রাখে।
