আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন বিজয়ঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। অবসর ঘোষণার বিবৃতিতে সোমবার বিজয় জানান, ক্রিকেট বিশ্বের যেকোনো জায়গায় খেলার সুযোগ খুঁজছেন তিনি। পাশাপাশি এই খেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসার খোঁজেও আছেন। জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য মুখিয়ে আছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। “আজ অপরিসীম কৃতজ্ঞতা এবং বিনয়ের সঙ্গে আমি সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি। ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল আমার জীবনের সবচেয়ে অসাধারণ বছর ছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন বিজয়
কারণ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল সম্মানের।” “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, ক্রিকেট খেলতে এবং এর ব্যবসায়িক দিকগুলিতে নতুন সুযোগ খুঁজব। আমি যে খেলাটিকে ভালোবাসি তাতে আগামীতেও অংশ নিব এবং নতুন ও ভিন্ন পরিবেশে নিজেকে চ্যালেঞ্জ জানাব। আমার বিশ্বাস, একজন ক্রিকেটার হিসেবে এটা আমার পথচলার পরবর্তী ধাপ এবং আমি জীবনের নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষায় রয়েছি।”

২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাগপুর টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক বিজয়ের। দেশের হয়ে তার সবশেষ ম্যাচ এই সংস্করণে ও একই প্রতিপক্ষের সঙ্গে, ২০১৮ সালে পার্থে। সাদা পোশাকে ৬১ ম্যাচে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন বিজয়। ১২ সেঞ্চুরি ও ১৫ ফিফটিতে করেন ৩ হাজার ৯৮২ রান। তার সর্বোচ্চ ইনিংসটিও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, ২০১৩ সালে হায়দরাবাদে খেলেন ৪৭৩ মিনিট স্থায়ী ১৬৭ রানের ইনিংস।

সাদা বলের দুই সংস্করণেই ২০১০ সালে পা রাখেন মুরালি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেমে যায় ২০১৫ সালে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক মুরালির। এই সংস্করণে সবশেষ ম্যাচ খেলেন তিনি ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
৫০ ওভারের ক্রিকেটে ভারতের হয়ে ১৭ ম্যাচ খেলে তেমন ভালো করতে পারেননি। এক ফিফটিতে করেন স্রফে ৩৩৯ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি মুরালি। এই সংস্করণে ৯ ম্যাচের সবশেষটি খেলেন তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও এখন আর খেলার সুযোগ খুব একটা মিলছে না তার। প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ সবশেষ খেলেন ২০১৯ সালে। পরের বছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি টি-টোয়েন্টিতে তার সবশেষ ম্যাচ।
