গোল করার নিয়ম: ফুটবল একটি অতি প্রাচীন খেলা। কবে, কখন, কোথায় এ খেলার উৎপত্তি তা আজ খুঁজে বের করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। কে যে প্রথম ফুটবলে লাথি মারেন সে তথ্যও অনুদঘাটিত। কালের অতলে বিলীন হয়ে গেছে সে বিমূর্ত্ত মুহূএটি ফুটবলের বান্নের সঠিক দিন ক্ষণ খুঁজে বের করা না গেলেও এটি যে একটি অতি প্রাচীন খেলা তা নিয়ে সন্দেহ নেই ক্রীড়া গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন প্রাচীন জনপদ ও লোক কাহিনীতে ফুটবলের সাথে মিল আছে এমন খেলার বিবরণ পাওয়া যায়।
প্রাচীন কালে গ্রীস ও রোমের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ফুটবল খেলা হতো তার সাথে আজকের রাগবি ফুটবলের যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া যায়। সুদূর মেক্সিকোতেও ফুটবল খেলার কথা শোনা যায়।
পৃথিবীর অন্যান্য ফুটবল প্রিয় দেশের মত বাংলাদেশেও এ খেলার জনপ্রিয়তা শীর্ষে। ফুটবল সারা বিশ্বের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় করা। এ খেলার বিস্তৃতি ও ব্যাপ্তি সারা বিশ্ব ব্যাপি। অত্যাধিক জনপ্রিয়তার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে । ফুটবল খেলা হয় না এমন দেশ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। আজ সারা পৃথিবী শাসন করছে ফিফা।
মেক্সিকোতে ফুটবলের গোল হতো উঁচু দেয়ালে বা গাছের ডালে বাঁধা বলয়ের ভেতর দিয়ে বল ঢোকাতে পারলে ক্যানভাসের মাঝখানে একটা গোলাকার ছিদ্র হতো। গোল পোস্ট। এ খেলায় খোলোয়াড়ের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকতো না। ফলে একটা জটলার সৃষ্টি হতো।
ফুটবলের গোল করার নিয়ম । ফুটবল খেলার দশম আইন । খেলাধুলার আইন
১. খেলা চলাকালে গোলপোস্টের ভেতর ও আঁড়খুঁটির নিচের যে কোন জায়গা দিয়ে বল আইনসম্মতভাবে শূন্য দিয়ে বা মাটি ঘেষে সম্পূর্ণ গোল লাইন অতিক্রম করলে গোল হয়।
২. গোল কিপার ছাড়া (নিজ দলের পেনাল্টি এরিয়ায়। কোন খেলোয়াড় হাত দিয়ে বল ছুঁড়ে হাত দিয়ে বহন বা হাত দিয়ে ঠেলে বল গোলে ঢুকালে গোল হয় না।
৩. সংখ্যায় বেশি গোলদাতা দলকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। কোন পক্ষই গোল করতে না পারলে বা দু’পক্ষ সমান সংখ্যক গোল করলে খেলা অমীমাংসিত বলে বিবেচিত হয় ।
৪. গোল হওয়ার মূহূর্তে যদি বাইরের কারো দ্বারা ভুলটি থামানো হয় (পেনাল্টি কিক ব্যতিত) তবে রেফারি খেলা থামাবেন এবং ড্রপের মাধ্যমে পুনঃ আরম্ভ করবেন।
