জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের দ্বিতীয় দিন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করেছে বোলাররা। চার ভেন্যুর ম্যাচগুলোতে একই দিনে উঠে এসেছে একাধিক স্মরণীয় বোলিং স্পেল, যার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত রাজশাহীর তরুণ পেসার আবদুর রহিমের ৬ উইকেট এবং সিলেটের অভিজ্ঞ পেসার আবু জায়েদের সাত বছর পর পাওয়া ৫ উইকেট।
রাজশাহীতে রংপুর দিনের শুরু করে বিনা উইকেটে ৩৭ রান নিয়ে। কিন্তু আবদুর রহিমের ধারালো বোলিংয়ে ধসে পড়ে পুরো দল। মাত্র দ্বিতীয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচেই রহিম ৭২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে জানান দিলেন নিজের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার। শূন্য রানে ফেরান তিন ব্যাটসম্যানকে। রংপুরের ইনিংস শেষ হয় ২৫৮ রানে, যেখানে ওপেনার আবদুল্লাহ আল মামুন করেন সর্বোচ্চ ৬৪ রান। প্রথম ইনিংসে ১০ রানের লিড নেওয়া রাজশাহী দ্বিতীয় দিন শেষ করে ১২ রানে, সব মিলিয়ে লিড দাঁড়ায় ২২ রানে।
বগুড়ায় সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দেন সিলেটের আবু জায়েদ। একসময় জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দল থেকে বাইরে ছিলেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার শেষ পাঁচ উইকেট এসেছিল ২০১৮ সালে। দীর্ঘ বিরতি শেষে আজ আবারও উঠে এলেন আলোচনায়। মাত্র ৩৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামকে ১১০ রানে গুটিয়ে দেন। জবাবে সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে করে ১৯৩, ফলে দ্বিতীয় দিনের শেষে মোট লিড দাঁড়ায় ৩৩৮ রানে। জাকির হাসানের ৬১ এবং অমিত হাসানের অপরাজিত ৫৮ রান দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
কক্সবাজারে ঢাকা দ্বিতীয় দিন শুরু করে ২৪৬/৭ থেকে, কিন্তু ইনিংস থামে ২৭৩ রানে। আগের দিন ১১৮ রানে থাকা মার্শাল আইয়ুব করতে পারেন মাত্র ২ রান। বরিশালের পেসার সুমন খান তুলে নেন ৪ উইকেট। জবাবে বরিশাল ২৪৩/৫ করে দিন শেষ করে। ওপেনার ইফতিখারের ৭৮ রানের সঙ্গে অভিষিক্ত অনূর্ধ্ব–১৯ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ৫৫ রানের ইনিংস তাদের এগিয়ে দিয়েছে।
খুলনায় দিনের খেলা ছিল তুলনামূলক নিরুত্তাপ। খুলনা ৩২৮/৬ থেকে শুরু করে থামে ৩৮৭ রানে। আফিফ হোসেন যোগ করেন ৪০ রান। শুভাগত হোম ৪ উইকেট নিয়ে খুলনার ইনিংস গুটিয়ে দেন। ময়মনসিংহের শুরুটা ছিল ইতিবাচক; তারা ৩ উইকেটে ১৭০ রান তুলে দিন শেষ করে। নাঈম করেন ৫৭ এবং আজিজুল হাকিম অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে।
