নারী ফুটবলকে আরও বিস্তৃতভাবে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। ফিফার ‘এমপাওয়ার হার’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিশ্বের ৬ কোটি নারী ফুটবল খেলোয়াড়ের উন্নয়নকে লক্ষ্য করা হয়েছে, এবং এই উদ্যোগে সহযোগিতা করবে বাফুফে।
প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঋতুপর্ণা ও আফঈদারা। ফিফার এশিয়ান অঞ্চলের নারী ফুটবল উন্নয়ন প্রধান সাইমন এন্থনি সোমবার (১০ নভেম্বর) জানান, ২০২৫-২০২৮ সালের তিন বছরের এই পরিকল্পনায় তাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফিফার উদ্দেশ্য হলো সারা বিশ্বে নারী খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা এবং নারী কোচের সংখ্যা বাড়ানো।
সাইমন এন্থনি বলেন, “আমরা একটি সমীক্ষা করেছি, যেখানে দেখা গেছে নারী-পুরুষ লিগ মিলিয়ে নারী কোচের সংখ্যা মাত্র ২২ শতাংশ। এই চার বছরে আমরা অনেক নারী কোচ যোগ করতে চাই। এশিয়ার প্রধান হিসেবে আমি নিয়মিত প্রতিটি দেশ ভ্রমণ করি। বাংলাদেশ নারী ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে। এজন্য আমি নিজে এসে বাফুফের সঙ্গে নারী ফুটবলের উন্নয়নে ফিফার লক্ষ্য শেয়ার করলাম।”
বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল ফিফার এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান, দেশের নারী ফুটবলের উন্নয়নে ক্লাব সংখ্যা বাড়ানো ও মেয়েদের লিগ নিয়মিত করার দিকে জোর দেওয়া হবে।
তাবিথ আউয়াল বলেন, “নারী ফুটবলে আমাদের ক্লাব সংখ্যা কম। আমরা ঘরোয়া লিগ সম্প্রসারণ এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে চাই। ফিফা আমাদের এই কাজে টেকনিক্যাল এবং আর্থিকভাবে সহায়তা করবে। আমরা শুধু খেলোয়াড়দের মান উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ থাকব না; নারী হিসেবে সমাজে তাদের নানা প্রতিবন্ধকতার সময়ও পাশে দাঁড়াব। অনেক সময় তারা সাইবার বুলিংয়ের শিকার হন, সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে।”
