ফুটবল খেলার স্থিতিকাল : ফুটবল একটি অতি প্রাচীন খেলা। কবে, কখন, কোথায় এ খেলার উৎপত্তি তা আজ খুঁজে বের করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। কে যে প্রথম ফুটবলে লাথি মারেন সে তথ্যও অনুদঘাটিত। কালের অতলে বিলীন হয়ে গেছে সে বিমূর্ত্ত মুহূএটি ফুটবলের বান্নের সঠিক দিন ক্ষণ খুঁজে বের করা না গেলেও এটি যে একটি অতি প্রাচীন খেলা তা নিয়ে সন্দেহ নেই ক্রীড়া গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন প্রাচীন জনপদ ও লোক কাহিনীতে ফুটবলের সাথে মিল আছে এমন খেলার বিবরণ পাওয়া যায়।
প্রাচীন কালে গ্রীস ও রোমের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ফুটবল খেলা হতো তার সাথে আজকের রাগবি ফুটবলের যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া যায়। সুদূর মেক্সিকোতেও ফুটবল খেলার কথা শোনা যায়।
ফুটবল খেলার স্থিতিকাল । ফুটবল খেলার সপ্তম আইন । খেলাধুলার আইন
১. আন্তর্জাতিক ফুটবল আইনে ৫ মিনিট মধ্য বিরতিসহ ৯৫ মিনিট অর্থাৎ ৪৫+৫+৪৫ মিনিট খেলা হয়ে থাকে।
২. অনুর্ধ ১৬ বছর বয়সের ফুটবল প্রতিযোগিতায় ৫ মিনিট মধ্য বিরতিসহ ৮৫ মিনিট অর্থাৎ ৪০+৫+৪০ মিনিট খেলা হয়ে থাকে।
৩. দুর্ঘটনা বা অন্য কোন অস্বাভাবিক কারণে খেলার নির্ধারিত স্থিতিকালের কিছু সময় নষ্ট হলে নষ্ট সময়টুকু খেলার নির্ধারিত সময়ের সাথে যোগ করতে হবে।
৪. নষ্ট সময় বিরতির আগে হলে আগে এবং পরে হলে পরে খেলিয়ে পূরণ করতে হবে।
৫. রেফারি প্রতিযোগী দলের অধিনায়কের অনুরোধে নির্ধারিত ৫ মিনিটের বিরতি বৃদ্ধি করতে পারেন। তবে সেটা উভয় দলের অধিনায়কদের সম্মতিতে হতে হবে।(সময় বাড়ানোর যুক্তিসংগত কারণ থাকতে হবে।)
৬. খেলার নির্ধারিত সময় বাড়ানো যায়। শুধুমাত্র পেনাল্টি কিক সম্পন্ন করার জন্য ।
৭. মৌসুমী লীগ খেলা বাসে প্রতিযোগিতামূলক খেলা অমীমাংসিত ভাবে শেষ হলে সংগঠনের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খেলার ভাগ্য নির্ধারণের জন্য মধ্য বিরতিসহ ১৫ মিনিট অর্থাৎ ৭+১+৭ অথবা ৩১ মিনিট অর্থাৎ ১৫+১+১৫ মিনিট বর্ধিত সময় খেলা হতে পারে ।
৮. অমীমাংসিত প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অতিরিক্ত সময় না নিয়ে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করার জন্য সরাসরি টাইব্রেকার পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন, যদি সংগঠকদের বিধিমালায় তা থাকে।
