হকির শারীরিক বাধা । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

আজকে আমরা হকির শারীরিক বাধা সম্পর্কে আলোচনা করব।

 

হকির শারীরিক বাধা । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

 

হকির শারীরিক বাধা । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

কৃত্রিম মাঠের বেশি ব্যবহার করা এবং কৃত্রিম মাঠে খেলোয়াড়দের দ্রুত দিক পরিবর্তনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় খেলার গতি রক্ষা এবং বল নিয়ে নৈপুণ্য দেখানোর উন্নতিতে বাধা সৃষ্টি না করার ইচ্ছায় হকি খেলোয়াড়ের বাধা প্রদান আইনটির ব্যাখ্যা বিগত কয়েক বছরে গুরুত্বপূর্ণভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে ।

এই নোটে বাধা দেয়ার কারণ আইনের সর্বশেষ ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। এটা করতে গিয়ে এই নোট কতকগুলি নীতির নির্দেশ আছে। সম্ভবতঃ এই নোটে বাধা দানের ঘটনার প্রচ্ছন্ন বর্ণনা দেয়া উদ্দেশ্য নয়। অবশ্য এটা খেলার দুইটি মৌলিক অবস্থার ব্যাপারে জোর দিয়েছে।

নিশ্চল খেলোয়াড়

যে বলটি ধরতে যাচ্ছে সে ধরতে গিয়ে এবং অপর পক্ষ যে বলটি কেড়ে নিত যাচ্ছে সে কেড়ে নিতে গিয়ে কি করছে সেটা দেখার বদলে যে বলটি ধরেছে সে কোন দিকে মুখ করে বলটি ধরেছে বিগত দিনে সেটাই বিবেচ্য করা হত। এখানকার নীতিগুলি হচ্ছে,

নিশ্চল খেলোয়াড় যে কোন দিকে মুখ করে বলটি ধরতে পারবে।

যে বল কেড়ে নিতে যাচ্ছে সঠিক স্থান থেকে বল ধরা তার দায়িত্ব। আইনসিদ্ধভাবে বলটি কেড়ে নেয়ার জন্য যে বলটি ধরেছে তাকে ঘুরে গিয়ে বলটি নেয়ার চেষ্টা করবে।

 

হকির শারীরিক বাধা । হকি খেলার বারো নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

 

যে বলটি কেড়ে নিতে যাচ্ছে সে, যে বলটি ধরছে তার সাথে ধাক্কা লেগে বাধা দেয়া হয়েছে বলে দাবি জানাতে পারবে না। এই ধরণের কোন রকমে আচরণকে কাঠোর হাতে শান্তি দিতে হবে।

বলটি ধরার পর তাকে তাড়াতাড়ি যে কোন দিকে বলটি নিয়ে সরে যেতে হবে। (কেবল বিপক্ষের দিকে শরীর নিয়ে যাওয়া ব্যতিত) ঠিক এইভাবে যে বলটি ধরেছে সে বলটি নিয়ে খেলা অগ্রসর হতে পারবে। যে বলটি কেড়ে নিতে যাচ্ছে তার দায়িত্ব হল সরে এমন অবস্থানে যাওয়া যেখান থেকে বিপক্ষের স্পর্শটি বাঁচিয়ে বলটি খেলার চেষ্টা করা।

সচল খেলোয়াড়

এই ঘটনার বিভিন্ন রকম উপমা অসংখ্য। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে যাতে সুবিধা হয় তার জন্য কয়েকটি নীতিমালা দেয়া হল। একদিকে এই নীতিমালা প্রয়োগ ক গেলে অবস্থান, অভিপ্রায়, এবং যে কেড়ে নিচ্ছে বলের নিরীখে তার সামনের ব্যাপার বিচার করতে হবে।

নিশ্চলভাবে যে বল ধরেছে সেই সময় যেমন, যে বল কেড়ে নিতে যাচ্ছে সে যেন আইনসিদ্ধভাবে বলটি কেড়ে নিতে পারে সে রকম অবস্থান থাকবে বা সরে গিয়ে সেই রকম অবস্থান নেবে তারপর সঠিক অবস্থান নেয়ার পর বাধাদান ঘটার ব্যাপারে নিম্নোক্ত শর্তগুলির ব্যাপারে সন্তুষ্ট হতে হবে।

 

বলটি কেড়ে নেয়ার ইচ্ছা থাকতে হবে। তার সাথে যে কেড়ে নিতে যাচ্ছে সে তার স্টিক কেবলমাত্র বলের দিকেই নিতে পারবে।

বলের দিকে এই স্টিক নিয়ে যাওয়ার সময়ও খুব সংক্ষিপ্ত। কারণ, যতক্ষণ যে বলটি কেড়ে নেবে সে সঠিক অবস্থানে এসে বলটি কেড়ে নিতে যাচ্ছে ততক্ষণ বিপক্ষ দল বলটি নিয়ে অন্য দিকে চলে যেতে পারে।

বাধাদান আইনের ব্যাখ্যার সারাংশ হচ্ছে একজন খেলেয়াড়কে যে কোনদিকে বল ধরতে, পাস দিতে বা খেলতে দিতে হবে এবং তাকে বাধাদানের জন্য তখনই শাস্তি দেয়া যাবে যখন বিপক্ষ দলের কোন খেলোয়াড় সঠিক অবস্থান নিয়ে বলটি কেটে নিতো, যার কাছে বল আছে সে খেলবে এবং যদি প্রকৃতপক্ষে বাধাদান হয় তবে তাকে শাস্তি দেয়া যাবে । বাধাদান হয়েছে বলে ইঙ্গিত প্রকাশ করলেই নয়।

Leave a Comment