হকির আইন ভংগ করতে বাধ্য করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভংগ করা

হকির আইন ভংগ করতে বাধ্য করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভংগ করা । হকি খেলার বারো নম্বর আইন ৫ । খেলাধুলার আইন
বাধাদানের জন্য একটি খেলা (অবস্ট্রাকশন) বহুবার বিঘ্নিত হয়। ঐ বাধাদানের ফলে যে আইন ভংগ হয় তার কিছু এই ধরণের আইন ভংগ করতে বাধ্য করা হয়। যার মানে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে এমন পরিস্থিতিতে জোর করে ফেলা হয় যাতে তার দ্বারা অনষাকৃতভাবে আইন ভংগ করা হয়।
বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়কে এমন এক পরিস্থিতিতে পড়তে বাধ্য করা হয় যার ফলে বাধাদান আইনটি ভংগ হয়, বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রবেশ করা বা তাদের উপর স্টিক নাড়ান, এই দুটো আচরণকেই শান্তি দিতে হবে।

আইন ১২, ১৫-তে বলা হয়েছে যে, একজন খেলোয়াড় বিপক্ষের পায়ের পাতায়, পায়ে বা হাতে বলটি ইচ্ছাকৃতভাবে মারবে না। কেউ যদি এটা করে তবে আম্পায়ার খেলা চলতে অথবা এই আচরণের বিরুদ্ধে ফ্রি-হিট বা রক্ষণকারী দল নিজের এলাকার ভিতর করলে পেনাল্টি কর্নার দেবেন।
এটা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, ১২.১(৬) এর নির্দেশনায় বলছে “বল যদি কোন খেলোয়াড়ের পায়ে বা শরীরে এসে লাগে তবে আইন ভংগ হয়েছে বলে বিবেচনার প্রয়োজন নেই”। এখানে পা বলটিকে লাথি মেরেছে এর চেয়ে বলটি পায়ে এসে লেগেছে এই ব্যাপারে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। পায়ে বল লাগাবার ব্যাপারে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড় যদি দায়ী হয় তবে কোন আইন ভংগ হয় না তা নিশ্চিত।
অনেক ঘটনাতেই একজন খেলোয়াড় ও তার দলের সুবিধা পাওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভংগ করে। যেমন বিপক্ষকে ফ্রি-হিট মারার সুযোগ দেয়ার পর বলটিকে লাথি মেরে দূরে সরিয়ে দেয়, বলটি তুলে দূরে নিয়ে যায় অথবা কাঁধের উপর তুলে বল থামায়। এই সমস্ত অপরাধকে আইনে যে সমস্ত শাস্তি আছে সেই অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে।
শুরুতেই যদি কঠোরভাবে এটা করা যায় তবে এই ধরণের অপরাধের পুনরাবৃত্তি কমে যাবে। এরপরও এতে যদি প্রয়োজনীয় ফল না হয় তবে ১২ ধারায় শান্তি ৫১.৩৫.২ কার্যকারী করতে হবে। কেবল ব্যতিক্রমধর্মী পরিস্থিতির জানো শাস্তি ৫ ৩ ব্যবহার করতে হবে।
