যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ২০২৫ মৌসুম শেষে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার কথা ছিল লিওনেল মেসির। তবে তার আগে নতুনভাবে এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা আরও তিন বছরের জন্য চুক্তি করেছেন। এবারও মেসি সর্বোচ্চ বার্ষিক বেতন পাবেন। বেসিক বেতন ও সাইনিং বোনাস মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় দাঁড়াবে ২০.৪৫ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ২৫০ কোটি ৪৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা।
২০২৫ সালে এমএলএস খেলোয়াড়দের বার্ষিক বেতনের তালিকা প্রকাশ করেছে প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমএলএসপিএ)। এতে দেখা যায়, টটেনহ্যাম ছেড়ে লস অ্যাঞ্জেলস এফসিতে নাম লিখানো দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা সন হিউং-মিন দ্বিতীয় স্থানে আছেন। তার বেতন ১১.১৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৩৬ কোটি ৫৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। শীর্ষ তিনে দুজনই ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড়—মেসি ও সার্জিও বুসকেটস। বুসকেটসের বেতন ৮.৭৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১০৭ কোটি ৫২ লাখ ৬ হাজার টাকা।
যদিও বুসকেটস চলতি মৌসুম শেষে অবসর গ্রহণ করবেন। মায়ামির হয়ে খেলা স্পেন ও বার্সেলোনার সাবেক ডিফেন্ডার জর্দি আলবাও শীর্ষ দশে আছেন এবং তিনিও মৌসুম শেষে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানাবেন। তবে শীর্ষ দশে নেই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল। শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি দুজন হলেন আটলান্টা ইউনাইটেডের মিগুয়েল আলমিরন এবং সান দিয়েগো এফসির হার্ভিং লোজানো।
এমএলএসের শীর্ষ বেতনভুক্ত খেলোয়াড়রা (ডলারে):
লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি) — ২০.৪৫ মিলিয়ন
সন হিউং-মিন (লস অ্যাঞ্জেলস) — ১১.১৫ মিলিয়ন
সার্জিও বুসকেটস (ইন্টার মায়ামি) — ৮.৭৮ মিলিয়ন
মিগুয়েল আলমিরন (আটলান্টা) — ৭.৮৭ মিলিয়ন
হার্ভিং লোজানো (সান দিয়েগো) — ৭.৬৩ মিলিয়ন
এমিল ফর্সবার্গ (নিউইয়র্ক রেড বুলস) — ৬.০৪ মিলিয়ন
জর্দি আলবা (ইন্টার মায়ামি) — ৬ মিলিয়ন
রিকুই পুইগ (এলএ গ্যালাক্সি) — ৫.৭৮ মিলিয়ন
জনাথন বাম্বা (শিকাগো) — ৫.৫৮ মিলিয়ন
হানি মুখতার (ন্যাশভিলে) — ৫.৩১ মিলিয়ন
সর্বশেষ গ্রীষ্মের দলবদলে এমএলএসে যুক্ত হওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে শুধুমাত্র সনের বেতন ১০ মিলিয়নের ওপরে। মায়ামির রদ্রিগো ডি পলের বেতন ৩.৬৭ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইট ক্যাপসের সাবেক জার্মান তারকা থমাস মুলারের বেতন ১.৪৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
দলভিত্তিক বেতনের খরচের দিক থেকে ইন্টার মায়ামি সবচেয়ে বেশি ব্যয় করছে। তারা শুধুমাত্র ফুটবলারদের বেতনে খরচ করছে ৪৮.৭৮ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া লস অ্যাঞ্জেলস ৩০.১ মিলিয়ন, আটলান্টা ২৮.৫ মিলিয়ন, এফসি সিনসিনাতি ২৩.২ মিলিয়ন এবং শিকাগো ফায়ার ২৩.২ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে।
