জাতীয় ক্রিকেট লিগে বরিশাল বিভাগের দ্বিতীয় জয় এসেছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। ঢাকা বিভাগের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেছেন অধিনায়ক তানভীর ইসলাম, যিনি দলের প্রতিটি মুহূর্তে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঢাকার দ্বিতীয় ইনিংসে তানভীরের ৭ উইকেট ঘূর্ণি বলের জাদুতে অলআউট হয় ১৬৯ রানে। ম্যাচ জেতার জন্য বরিশালকে প্রয়োজন ১০২ রান, যা তারা মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে পূরণ করে।
ম্যাচে ওপেনার ইফতিখার হোসেন ৫৭ রান অপরাজিত থেকে দলের জয়ের নায়ক হন। প্রথম ইনিংসেও ৭৮ রান করেছিলেন ইফতিখার এবং এই ম্যাচে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।
শেষ দিন ঢাকা শুরু করে ৫ উইকেটে ১২৪ রান নিয়ে। খেলার ২২.২ ওভারে ৪৫ রান যোগ করে তারা শেষ হয়। আগের দিন তানভীর ২ উইকেট নিয়েছিলেন, শেষ দিনে তিনি শেষ ৫ উইকেটও সংগ্রহ করেন।
তানভীরের ৪৬ ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ৮মবার ৫ উইকেট নেওয়া এটি তার দ্বিতীয় সেরা বোলিং। ২০২১ সালে আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে ৮/৫১ করেছিলেন।
খুলনা-ময়মনসিংহ ম্যাচে ড্র হয়েছে। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৪৫৯ রান সংগ্রহ করে ৭২ রানের লিড নিয়েছে। খুলনা ৫ উইকেটে ১৪০ রান করে ড্র মেনে নিল।
ময়মনসিংহের আল আমিন জুনিয়র ৬২ রানে শুরু করে ১০২ রানের অপরাজিত সেঞ্চুরি। এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি, এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ হয়েছে।
আরিফ আহমেদ অষ্টম উইকেটে ৮১ রান যোগ করেন। খুলনার ওপেনার সৌম্য সরকার প্রথম ইনিংসে ১৮৬ রান করেছিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৪ রান করেন।
| দল | ইনিংস | রান | উইকেট | ফলাফল |
|---|---|---|---|---|
| বরিশাল | ১ম ও ২য় | – | ৪ হারিয়ে জয় | জয় |
| ঢাকা | ২য় | ১৬৯ | অলআউট | পরাজয় |
| ময়মনসিংহ | ১ম | ৪৫৯ | ৮ উইকেট | ড্র |
| খুলনা | ২য় | ১৪০ | ৫ উইকেট | ড্র |
বরিশাল জয়ের ফলে দল নতুন উদ্দীপনায় ভরপুর, আর আল আমিনের সেঞ্চুরি ভবিষ্যতের ম্যাচে আশা বাড়িয়েছে।
