ভারতের তরুণ ব্যাটসম্যান শুভমান গিল দ্রুত ফিটনেসে উন্নতি করছে এবং আগামী ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে মাঠে ফিরতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সিলেন্স (CoE)-তে পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং কোচ ও ফিজিওদের মতে, তার ফিটনেসে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে কয়েক দিনের ব্যাটিং সেশন চলাকালীন গিল কোনও অসুবিধা প্রকাশ করেননি। কোচ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা শুধুমাত্র ব্যাটিংয়ের ফর্ম না দেখেই যাচাই করছেন যে তিনি ফিল্ডিং করতে সক্ষম কিনা। ফিটনেস এবং ব্যাটিং দুটোতেই তিনি ইতিমধ্যেই প্রত্যাশিত মান পূরণ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গিলের আউট হওয়া ঘটনাটি এডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠিত টেস্টের দ্বিতীয় দিনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে তার ঘাড়ে স্পাজম ধরা পড়ে এবং তার পর থেকে তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। তবে বর্তমানে তার ফিটনেস পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, তিনি দ্রুত পূর্ণ কার্যক্ষমতার দিকে ফিরে আসছেন।
সিরিজের জন্য দল ঘোষণার তারিখ এখনও নিশ্চিত নয়, তবে বোঝা যাচ্ছে যে নির্বাচকরা তার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে চাইছেন। বিশেষ করে, পরবর্তী বছরের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য তিনি দলের ভাইস-ক্যাপ্টেন হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
গিল, যদি দল ঘোষণা হয়ে যায়, তবে ৭ ডিসেম্বর ভুবনেশ্বরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। প্রথম ম্যাচে কটক-এ খেলার সুযোগ নাও পেতে পারেন, তবে পরবর্তী চারটি ম্যাচে তার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খুবই উঁচু। এই ম্যাচগুলো ১১ ডিসেম্বর (নিউ চণ্ডীগড়), ১৪ ডিসেম্বর (ধর্মশালা), ১৭ ডিসেম্বর (লখনউ) এবং ১৯ ডিসেম্বর (আহমেদাবাদ)-এ অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গিলের দ্রুত প্রত্যাবর্তন ভারতীয় দলের ব্যাটিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করবে। তার উপস্থিতি শুধু ব্যাটিং-এ সহায়ক নয়, বরং দলের মানসিক শক্তিও বাড়াবে। নির্বাচকরা এই মুহূর্তে তার ফিটনেস এবং ফর্ম দুটোই মূল্যায়ন করছেন, যা বিশ্বকাপের দিকে যাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ।
