২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনা শুরু হওয়ার আগেই পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ভক্তদের জন্য আনন্দের সংবাদ এসেছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) ঘোষণা করেছে, বিশ্বকাপের আগে তাদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই ম্যাচে ব্রাজিল মুখোমুখি হবে ইউরোপের শক্তিশালী দলের সঙ্গে — ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে। তবে এই দুই ম্যাচ কখন শুরু হবে, তা এখনও জানানো হয়নি।
আগামী বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রীতি ম্যাচ। ২৬ মার্চ বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের সঙ্গে মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। পাঁচ দিন পর ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোর ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া। ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি এই দুই ম্যাচের মাধ্যমে বিশ্বকাপের জন্য দল প্রস্তুত করবেন এবং এরপর চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করবেন।
এই দুটি ম্যাচের জন্য ব্রাজিল জাতীয় দল ব্যবহার করবে অরল্যান্ডোর ইএসপিএন ওয়াইড ওয়ার্ল্ড কাপ কমপ্লেক্সকে অনুশীলন ও থাকার কেন্দ্র হিসেবে। গত বছর কোপা আমেরিকাতে ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা একই কমপ্লেক্স ব্যবহার করেছিল। এছাড়া, আগামী মে মাসের শেষ সপ্তাহে তেরেসপোলিসের গ্রাঞ্জা কোমারিতে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন খেলোয়াড়রা, যা বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ব্রাজিল জাতীয় দলের জেনারেল কোঅর্ডিনেটর রদ্রিগো কায়েতানো জানিয়েছেন, ‘ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়ার মতো শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে দুটি উচ্চ মানের ম্যাচ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচে আমরা এমন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবো যারা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং ভিন্ন খেলার ধরন উপস্থাপন করে। ইউরোপের এই দলগুলো ব্রাজিলকে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করাতে সক্ষম।’
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা যৌথভাবে আয়োজন করবে। এই দুই প্রীতি ম্যাচ ব্রাজিলের জন্য বিশ্বকাপের প্রস্তুতির চূড়ান্ত পরীক্ষা হিসেবে গণ্য হবে, যা দলের কৌশল ও আত্মবিশ্বাস যাচাই করবে।
