নরওয়ের শহর বোদোতে ইতিহাস রচিত হলো। ম্যানচেস্টার সিটি, যারা গত দুই মৌসুমে ইংল্যান্ডের শীর্ষ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুর্ধর্ষ খেলা দেখিয়েছে, সেই দলকেই নিজেদের মাঠে ৩-১ গোলে পরাজিত করল নরওজিয়ান ক্লাব বোদো/গ্লিম্ট। এই জয়ে বোদো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবারের মতো ম্যাচ জেতার সম্মান অর্জন করল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বোদো আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে থাকল। সিটির তারকা আক্রমণকারীরা, বিশেষ করে ফিল ফোডেন এবং আর্লিং হালান্ড, অনেক সুযোগ হারালেও বোদো তাদের সুযোগ কাজে লাগাতে চূড়ান্ত সফল হয়। সিটির বাম পাশের রক্ষণ একাধিকবার ভেঙে পড়ার সুযোগ বোদোকে প্রথম দুই গোল এনে দেয়।
প্রথম গোল আসে ২২ মিনিটে, যখন ওলে ডিডরিগ ব্লমবার্গের ক্রস থেকে ক্যাসপার হগ বল জালে পাঠান। পরের মিনিটে হগ আবারও জালে বল জড়িয়ে বোদোকে ২-০ এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে জেন্স পিটার হাউগের গোলে বোদোর নেতৃত্ব ৩-০-তে পৌঁছে যায়। সিটি তখন রায়ান চেরকির এক গোল করে কিছুটা আশা তৈরি করলেও, ৬২ মিনিটে রদ্রি এর্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় মাঠ ছাড়লে ম্যানচেস্টার সিটি ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এরপর বাকি সময়ে সিটি আর কোনো চমক দেখাতে পারল না।
ম্যাচ চলাকালীন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে উপস্থিত ছিলেন এবং এই ঐতিহাসিক জয়ের প্রত্যক্ষদর্শী হন। শেষ বাঁশি বাজার পর বোদোর সমর্থকরা নিজেদের ইতিহাসের সেরা রাত উদযাপন করলেন।
নিচের টেবিলে উভয় দলের প্রধান তথ্য ও গোলসংখ্যা তুলে ধরা হলো:
| দল | গোল | প্রধান গোলদাতা | লক্ষণীয় ঘটনা |
|---|---|---|---|
| বোদো/গ্লিম্ট | ৩ | ক্যাসপার হগ, জেন্স পিটার হাউগ | চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম জয় |
| ম্যানচেস্টার সিটি | ১ | রায়ান চেরকি | রদ্রি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়েন |
এই ফলাফলের মাধ্যমে বোদো/গ্লিম্ট ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করল। বিশেষ করে ম্যানসিটির মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এই জয় বোদোর আন্তর্জাতিক মানকে আরও দৃঢ় করেছে।
