শেষ ষোলোর আজকের ম্যাচের আগে দলগুলোর অবস্থা

চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব শেষ হয়ে গেছে এবং নকআউট পর্বের উত্তেজনা শুরু হয়েছে। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলো। এখানে এক নজরে দলের সাম্প্রতিক ইতিহাস, পরিসংখ্যান এবং চলতি মৌসুমের রেকর্ড তুলে ধরা হলো।

লেভারকুসেন বনাম আর্সেনাল

  • বায়ার লেভারকুসেন ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টে ইংলিশ ক্লাবের বিপক্ষে সর্বশেষ ৫টি দুই লেগের লড়াইয়ের মধ্যে ৪টিতে জয় পেয়েছে।

  • বিপরীতে আর্সেনাল জার্মান ক্লাবের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ৫টি দুই লেগের ম্যাচ হেরেছে। সবগুলো বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে ছিল।

  • চলতি মৌসুমে আর্সেনাল টানা ৮টি চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে জয় পেয়েছে, যা ইংলিশ ক্লাবের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটির ১০ ম্যাচের রেকর্ডের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

  • আর্সেনাল প্রতিটি ম্যাচে আগে গোল করেছে এবং শেষ ৬ ম্যাচে ৩ বা তার বেশি গোল করেছে।

দলসর্বশেষ ৫ লড়াই (২ লেগ)চলতি মৌসুম জয়লক্ষ্য অর্জন
লেভারকুসেন৪ জয়, ১ হার
আর্সেনাল০ জয়, ৫ হারসব ম্যাচে আগে গোল

পিএসজি বনাম চেলসি

  • ইউরোপীয় মঞ্চে ৮বার মুখোমুখি, পিএসজি ৩ বার, চেলসি ২ বার জয়ী, ৩টি ড্র।

  • ইংলিশ দলগুলোর বিপক্ষে পিএসজি হেরেছে মাত্র একবার।

  • পিএসজি ১৪ মৌসুম টানা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে খেলছে। নকআউটের শেষ ৫৮ ম্যাচে তারা কখনোই গোলশূন্য ড্র করেনি।

  • চেলসি ফরাসি দলগুলোর বিপক্ষে শেষ ৬টি ম্যাচেই জিতেছে এবং নকআউটের শেষ ১৬ দ্বৈরথের ১৩টিতে জয়ী হয়েছে।

বোডো/গ্লিমট বনাম স্পোর্টিং লিসবন

  • নরওয়ে ও পর্তুগিজ ক্লাবের মধ্যে এটি প্রথম কোনো নকআউট দ্বৈরথ।

  • বোডো/গ্লিমট চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ৪ ম্যাচ জিতেছে।

  • ইউরোপা লিগে তারা পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তো ও ব্রাগাকে হারিয়ে শতভাগ জয় রেকর্ড ধরে রেখেছে।

  • স্পোর্টিং লিসবন চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে শেষ ষোলোতে কখনো এগোতে পারেনি। তাদের একমাত্র কোয়ার্টার ফাইনাল অভিজ্ঞতা ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে ইউরোপিয়ান কাপে।

রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ম্যানচেস্টার সিটি

  • টানা ৫ মৌসুম নকআউটে একে অপরের মুখোমুখি। ১৫ ম্যাচে ৫ জয়, ৫ হার, ৫ ড্র।

  • শেষ ষোলোর ১৫ ম্যাচের মধ্যে ১৩টিতে রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়েছে। তবে ইংলিশ দলের বিরুদ্ধে তারা শেষ ৪টি ম্যাচে জয় পাননি।

  • ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ১৮ ম্যাচে মাত্র ৩টি হার।

  • চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিনিসিয়ুসের ১৩টি গোলের ১২টি এসেছে দ্বিতীয়ার্ধে।

এই পরিসংখ্যান এবং রেকর্ড দেখে বোঝা যায়, শেষ ষোলোর প্রতিটি ম্যাচে উভয় দলই শক্তিশালী ইতিহাস ও বর্তমান ফর্ম নিয়ে মাঠে নামছে, যা দর্শকদের জন্য রোমাঞ্চকর এবং অসম্ভব উত্তেজনাপূর্ণ কনফ্রন্টেশন নিশ্চিত করছে।

Leave a Comment