বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ভিয়েতনাম সফরের জন্য চূড়ান্ত ২২ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। প্রধান কোচ হাভিয়ের কাবরেরা প্রাথমিক ২৮ সদস্যের তালিকা থেকে ছয়জন খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি ভিয়েতনাম সফরের ঠিক আগে নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ঢাকায় এক সপ্তাহের প্রস্তুতি ক্যাম্পে খেলোয়াড়রা শারীরিক ফিটনেস, ট্যাকটিক্যাল অনুশীলন এবং দলগত একতা উন্নয়নের ওপর মনোনিবেশ করেছেন। নতুন সংযোজন হিসেবে ইংল্যান্ডের লেস্টার সিটি ক্লাবের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী সরাসরি ভিয়েতনামে গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন, যা দলকে কৌশলগতভাবে শক্তিশালী করবে।
Table of Contents
বাদ পড়া খেলোয়াড়রা
প্রাথমিক ২৮ সদস্যের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া ছয়জন খেলোয়াড়ের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
| পজিশন | খেলোয়াড়ের নাম |
|---|---|
| গোলরক্ষক | ইশাক আকন্দ |
| ডিফেন্ডার | ইসা ফয়সাল, মনজুরুর রহমান মানিক, শাকিল হোসেন |
| মিডফিল্ডার | সোহেল রানা জুনিয়র |
| ফরোয়ার্ড | রফিকুল ইসলাম |
ভিয়েতনাম সফরের রুট
বাংলাদেশ দল শুক্রবার রাতের ফ্লাইটে হ্যানয়ে পৌঁছাবে। সেখানে তারা প্রথমে স্বাগতিক ভিয়েতনামের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। এরপর সিঙ্গাপুরে চলে গিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে অংশ নেবে, যেখানে তারা সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে।
চূড়ান্ত স্কোয়াড (২২ জন)
নিচের টেবিলে প্রতিটি পজিশনের খেলোয়াড়ের নাম দেখানো হলো:
| পজিশন | খেলোয়াড়দের নাম |
|---|---|
| গোলরক্ষক | মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ |
| ডিফেন্ডার | তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ তপু, আবদুল্লাহ ওমর, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন |
| মিডফিল্ডার | হামজা চৌধুরী, শাহ কাজেম কিরমানি, শেখ মোরসালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শমিত সোম |
| ফরোয়ার্ড | আরমান ফয়সাল আকাশ, ইমন শাহরিয়ার, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহামেদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, সুমন রেজা |
প্রস্তুতি ও লক্ষ্য
ভিয়েতনাম ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। কোচ কাবরেরা জানিয়েছেন, দল বর্তমানে ফিটনেস, কৌশল এবং মানসিক দৃঢ়তায় ভালো অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমের সংযোজন দলের অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তিগত ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
দলের মূল লক্ষ্য প্রতিটি ম্যাচে সেরা পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করা। এই চূড়ান্ত স্কোয়াড বাংলাদেশের ফুটবলকে আন্তর্জাতিক মানের খেলার দিকে এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
মোট কথা, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের ম্যাচগুলো কৌশলগত ও মানসিকভাবে দলকে প্রস্তুত করবে, যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড়কে তাদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স প্রদর্শনের সুযোগ থাকবে।
