বার্সেলোনার নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার নতুন সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ক্লাবের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর। এ নির্বাচনে পুনরায় প্রার্থী হয়েছেন লাপোর্তা নিজেই, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন ব্যবসায়ী ভিক্টর ফন্ট। তবে এবারের নির্বাচনে সাবেক ক্লাব স্ট্রাইক লিজেন্ড লিওনেল মেসি কোনো ভোট দেবেন না এবং কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেবেন না, এমন ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বার্সেলোনার সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের সমর্থন জানালেও মেসি এ বিষয়ে নীরব থাকলেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট জানিয়েছে, মেসি নিজে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ নীরব থাকবেন এবং কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎও করবেন না। এমনকি ফন্টের সঙ্গে বৈঠকেরও কোনো পরিকল্পনা নেই, যদিও ফন্ট আগেই জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি প্রথমেই মেসিকে ফোন করবেন।

মেসি–এর সিদ্ধান্তকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারণ বার্সেলোনার নির্বাচনে তিনি অতীতে নিয়মিত ভোট দিয়ে আসতেন। এবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামি–এর হয়ে সক্রিয় ফুটবল খেলার কারণে মেসি বার্সেলোনার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অংশ নিতে চাননি।

মেসির নির্বাচনী অবস্থান সংক্ষেপে:

বিষয়তথ্য
ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তনা
কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থননা
কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎনা
বর্তমানে খেলছেনইন্টার মায়ামি, যুক্তরাষ্ট্র
লাপোর্তার সঙ্গে সম্পর্কপ্রায় বিচ্ছিন্ন
অতীত নির্বাচনে ভোটনিয়মিত অংশগ্রহণ

বার্সেলোনার বর্তমান সভাপতি প্রার্থী জোয়ান লাপোর্তা–র সঙ্গে মেসির সম্পর্কও বর্তমানে খুবটা ঘনিষ্ঠ নয়। মেসি নিশ্চিত করেছেন, এবারের নির্বাচনে তার কোনো মন্তব্য বা ইঙ্গিত ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলবে না। বার্সেলোনা সমর্থক এবং ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তার ব্যস্ত খেলোয়াড়ি জীবনই মূল কারণ যে তিনি এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।

প্রতিবেদনগুলো থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে মেসি পুনরায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন। ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজের মত প্রকাশ থেকে দূরে থাকবেন এবং ক্লাবের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত হবেন না।

Leave a Comment