লুয়ান্ডায় আজ রাতে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে একটি বিশেষ প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামছে আর্জেন্টিনা, যা দিয়ে বছর শেষ করবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপনের অংশ হিসেবেই এই ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা।
আর্জেন্টিনা ও অ্যাঙ্গোলা ইতিহাসে মাত্র একবারই মুখোমুখি হয়েছিল—২০০৬ সালের মে মাসে ইতালির সালের্নো শহরে এক প্রীতি ম্যাচে। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা দলে ছিলেন লিওনেল মেসি ও লিওনেল স্কালোনি। ১৯ বছর পর আবারো অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে খেলতে নামছেন তাঁরা দুজন; তবে এবার একজন খেলোয়াড় হিসেবে, অন্যজন কোচ হিসেবে। মেসি এখনও দলের প্রধান তারকা, আর স্কালোনি এখন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ।
সেই ২০০৬ সালের ম্যাচটিও ছিল জার্মান বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ। আর্জেন্টিনা জিতেছিল ২–০ গোলে, গোলদাতা ছিলেন ম্যাক্সি রদ্রিগেজ ও হুয়ান পাবলো সোরিন। মজার বিষয় হলো, স্কালোনি ও মেসি দুজনই ৬৩ মিনিটে একসঙ্গে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। আর বর্তমান সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা খেলেছিলেন প্রথম মিনিট থেকেই।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পুরোনো স্মৃতি নিয়ে স্কালোনি বলেন, “সালের্নোর সেই ম্যাচ আমার মনে আছে। বিশ্বকাপের ঠিক আগে বদলি হিসেবে নেমেছিলাম। জাতীয় দলের প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিপক্ষ যেই হোক। আগামীকালও আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে।”
আর্জেন্টিনা সাম্প্রতিক দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে জিতেছে—ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ১–০ এবং পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ৬–০। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ফিনালিসিমার আগে এটিই হতে পারে তাঁদের শেষ ম্যাচ।
চোট, বিশ্রাম ও টিকাজনিত জটিলতার কারণে কয়েকজন তারকা অনুপস্থিত থাকলেও দলে ডাক পেয়েছেন তরুণ হোয়াকিন পানিচেলি, জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি, ম্যাক্সিমো পেরোনে এবং কেভিন ম্যাক আলিস্টার। তবে শুরুতে তাদের নামার সম্ভাবনা কম।
আফ্রিকান প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে মেসির রেকর্ড প্রায় নিখুঁত—৭ ম্যাচে ৬ জয় ও ১ ড্র। জাতীয় দল ও ক্লাব মিলিয়ে মোট ৫ গোল করেছেন তিনি। আজ রাতের ম্যাচেও চোখ থাকবে তাঁর দিকেই।
