ব্যায়ামের কুমার কুমারী আসন । ১০ নম্বর ব্যায়ামের নিয়ম । খেলাধুলার নিয়ম

আজকে আমরা ব্যায়ামের কুমার কুমারী আসন সম্পর্কে আলোচনা করব।

অবাক হবার কিছু নেই। আপনার যদি ইচ্ছে হয় আজীবন বিয়ে না করেই কাটাবেন তাহলে আপনাকে কুমার-কুমারী আসনে ব্যায়াম করার জন্য বলবো। এ ব্যায়ামটি খুবই দরকারী কিন্তু গো মুখো আকার হয়ে করতে হয় বলে যোগশাস্ত্র মতে এর নাম গোমাখা আসন–নামে দেখা যায়। এর একটি গুণ আছে, তা হলো আপনার যৌবনের উচ্ছলতা বেশ দমিয়ে রাখতে পারে। তাই আমরা ঐ বিদগুটে নামের পরিবর্তে মজাদার নাম কুমার কুমারী আসনেই চিহ্নিত করলাম। নিশ্চয়ই আপনাদের ভালো লাগবে। এবার দেখা যাক কিভাবে কুমার-কুমারী থাকা যায়, জীবনভর।

 

 

ব্যায়ামের কুমার কুমারী আসন । ১০ নম্বর ব্যায়ামের নিয়ম । খেলাধুলার আইন

নিয়মঃ

স্থির আসনের মতোই প্রথমে পা দুটি সামনের দিকে ছড়িয়ে বসে পড়ুন মেরুদন্ড সোজা রাখুন। এবার বা পা হাঁটুতে ভেঙ্গে গোড়ালি ডান উরুর নিচে আসুন কিংবা পাশেই রাখুন। ডান পা হাঁটুতে ভেঙ্গে গোড়ালী ডান উরুর নিচে আনুন কিন্তু পাশেই রাখুন। ডান পা হাঁটুতে ভাঁজ করে বা পায়ের উপর উরু বা রানের উপর দিে বাম উরুর কাছে মাটিতে রাখুন। উভয়ের পায়ের গোড়ালি উরু বা নিতম্বের সা লাগিয়ে রাখতে চেষ্টা করবেন।

 

 

এবার হাতের কাজ। ডান হাত মাথার উপর ভুলে কনুই ভেঙ্গে হাতের তালু পিঠের মেরুদন্ডের উপর চিৎ করে রাখুন। বাঁ হাতখানা পাঁজরের পাশ দিয়ে নিয়ে যান পেছনে । কনুইতে ভেঙে উপরের দিকে তুলে ডান হাতের আঙুল ধরুন। কষ্ট হচ্ছে কি? প্রথম প্রথম একটু হবে। এভাবে ২৫-৩০ সেকেন্ড থাকুন। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। এভাবে হাত-পা বদল করে ৫ বার অনুশীলন করুন। ক্লান্তিবোধ করলে বিলীন। আসনে বিশ্রাম নিন।

 

উপকারিতাঃ

এ ব্যায়ামে বাঁকা মেরুদন্ড সোজা হবে। মেরুদন্ডের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আপনার মনের কুচিন্তা দূর করতে সহায়তা করে। হাত পায়ের পেশী এবং স্নায়ুতন্ত্র সবল ও সক্রিয় থাকে। এটি নিয়মিত অনুশীলন করলে অশ মুত্রপ্রদাহ, ৰাভ ইত্যাদি রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে না। হাত ও ঠোঁটের জোড়ার তরুনাস্থির শক্তি বৃদ্ধি পায়। মেয়েদের বাড়তি লাভ হয়- সহজে কোনো স্ত্রীরোগ হতে পারে না। সবচেয়ে বড় যে কথা তা হচ্ছে, আপনার যৌবনের প্রবল জোয়ারকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। তাই আপনি কুমার কিংবা কুমারী থাকতে হইলে ব্যায়ামটি নিয়মিত অভ্যেস করা প্রয়োজন। খেলাধুলোতেও মন বসে।

Leave a Comment