ক্রিকেটের ফলোঅনঃ বিশ্বের অন্যান্য ক্রিকেট দেশের মত বাংলাদেশেও ইংরেজদের হাতে ক্রিকেটের গোড়াপত্তন হয়। ইংরেজরাই সর্বপ্রথম ক্রিকেটকে এদেশে নিয়ে আসে। কিন্তু যেহেতু বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯০ বছর ইংরেজদের এবং ২৪ বছর পাকিস্তানীদের কাছে পরাধীনতার শিকলে বন্দি ছিল সেহেতু বাংলাদেশের কোন আলাদা ক্রিকেট ইতিহাস গড়ে ওঠেনি।
বৃটিশ শাসনামলে ভারত বর্ষের ক্রিকেট ইতিহাস যেমন এদেশের ক্রিকেট ইতিহাস ধরা হতো, তেমনি পাক শাসনামলেও পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসকে এদেশের ক্রিকেট ইতিহাস বলে ধরা হতো। সুতরাং এ দীর্ঘ সময়ে এদেশের কোন আলাদা ক্রিকেট ইতিহাস গড়ে ওঠেনি।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ পরাধীনতার কবল থেকে মুক্ত হয়। বাংলার আকাশে উদিত হয় স্বাধীনতার নতুন সোনালি সূর্য। আর তাই স্বাধীনতার পর সাবেক ইস্ট পাকিস্তান স্পোর্টস ফেডারেশনের ক্রিকেট কমিটিকে জাতীয় ভিত্তিক করার উদ্দেশে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বি সি সি বি) এ রূপান্তরিত করা হয়। ক্রিকেটের উন্নতির জন্য বি সি সি বি নিরলস পরিশ্রম শুরু করে।
Table of Contents
ক্রিকেটের ফলোঅন । ক্রিকেট খেলার ১৩ নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন
১। প্রথম ইনিংস অগ্রগমন
কোন দুই ইনিংসের ম্যাচে, যে দল প্রথমে ব্যাট করে, সেই দলের পাঁচ বা বেশি। দিনের খেলায় ২০০ রানে, তিন বা চার দিনের খেলায় ১৫০ রানে, দু’দিনের খেলায় ১০০ রানে ও একদিনের খেলায় ৭৫ রানে এগিয়ে থাকলে প্রতিপক্ষ দলকে ফলোঅন করানোর অধিকার বর্তাবে।
২। কোন দিনের খেলা পরিত্যক্ত হলে
কোন দুই বা ততোধিক দিনের ম্যাচে যদি প্রথম দিনের খেলা না হয় তবে প্রকৃত শুরু থেকে যে ক’দিন ম্যাচের বাকি থাকবে, সে ক’দিনের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ১৩ (১) আইন প্রযোজ্য হবে।
জ্ঞাতব্য বিষয়
এই আইনটি অধিনায়ক ও খেলোয়াড়ের উপদেশ স্বরূপ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আবার এটা যখন তাঁরা পড়বেন তখন আইন নং ১৪ এবং ১৫ দুটিই এর সাথে আলোচনা করবেন। মোটামুটি বলতে গেলে এই তিনটি আইন খেলোয়াড়দেরই চিন্তার বিষয়। আম্পায়াররা কেবল তাঁদের সাহায্য করতে পারবেন, আর কিছুই করার নেই।
