ফুটবলের অফসাইড । ফুটবল খেলার একাদশ আইন । খেলাধুলার আইন

ফুটবলের অফসাইডঃ ফুটবল একটি অতি প্রাচীন খেলা। কবে, কখন, কোথায় এ খেলার উৎপত্তি তা আজ খুঁজে বের করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। কে যে প্রথম ফুটবলে লাথি মারেন সে তথ্যও অনুদঘাটিত। কালের অতলে বিলীন হয়ে গেছে সে বিমূর্ত্ত মুহূএটি ফুটবলের বান্নের সঠিক দিন ক্ষণ খুঁজে বের করা না গেলেও এটি যে একটি অতি প্রাচীন খেলা তা নিয়ে সন্দেহ নেই ক্রীড়া গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন প্রাচীন জনপদ ও লোক কাহিনীতে ফুটবলের সাথে মিল আছে এমন খেলার বিবরণ পাওয়া যায়।

 

ফুটবলের অফসাইড । ফুটবল খেলার একাদশ আইন । খেলাধুলার আইন

 

ফুটবলের অফসাইড । ফুটবল খেলার একাদশ আইন । খেলাধুলার আইন

 

১. খেলা চলাকালে কোন খেলোয়াড় সেন্টার লাইন থেকে এগিয়ে এবং বিপক্ষের রক্ষণ ভাগের শেষ দু’জন খেলোয়াড়ের আগে বিপক্ষের গোল লাইনের দিকে। এগিয়ে থাকলে খেলোয়াড়ের ঐ অবস্থাকে অফসাইড বলে।

২. বলে কিক মারার সময় অফসাইড নির্ণয় করা হয়।

৩. বিপক্ষের শেষ খেলোয়াড়ের সমান্তরাল থাকাকালীনও অফসাইড ধরা হয়।

৪. অফসাইডের শাস্তি ইনডিরেই ফ্রি-কিক দেয়া হয়।

৫. অফসাইডে দাড়িয়ে নেই, এমন বিপক্ষ খেলোয়াড়কে বিপাকে ফেলার মনোভাব নিয়ে রক্ষণের শেষ দুজন খেলোয়াড় বল মারার সাথে সাথে সাম এগিয়ে গেলে ঐ বিপক্ষীয় খেলোয়াড়ের অফসাইড ধরা হয় না।

 

৬. নিম্নোক্ত অবস্থায় খেলোয়াড়ের অফসাইড ধরা যায় নাঃ

(ক) বিপক্ষের গোল কিপার ও অন্ততঃ ১ জন খেলোয়াড় অথবা বিপক্ষের যে কোন দু’জন খেলোয়াড় সামনে থাকলে।

(খ) খেলোয়াড় মাঠের নিজ সীমানায় থাকলে।

(গ)সরাসরি গোল কিকের সময়।

(ঘ)রেফারির বল ড্রপ দেয়ার সময়।

(ঙ) সরাসরি থ্রো ইনের সময়।

(চ) সরাসরি কর্ণার কিকের সময়।

 

(ছ) বিপক্ষের কোন খেলোয়াড়ের দেয়া বল পেলে।

(জ) নিজের খেলা বল ছেড়ে এগিয়ে অন্য কোন খেলোয়াড় বল না ধরার আগে ফিরে এসে আবার বল ধরলে।

(ঝ)মাঠের একপাশে খেলা চলাকালে অপর পাশের খেলোয়াড় নিষ্কৃয়ভাবে অবস্থান করলে।

(ঞ)অফসাইডে দাঁড়িয়ে থাকা খেলোয়াড় সরাসরি গোলে মারা বল ধরতে,খেলায় অথবা বিপক্ষ খেলোয়াড়কে বাধা দিতে অথবা নিজের অবস্থার সুবিধে নিতে চেষ্টা না করে নিকৃয় থাকলে ।

(ট)প্যারালাল লাইনে অফসাইড হয় না।

Leave a Comment