বিপিএলে ফিক্সিং রোধে প্রতিটি দলের সঙ্গে থাকবেন দুজন সিআইডি সদস্য

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর শুরুর আগে ফিক্সিং বিতর্ক নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। নিলামের আগে বিভিন্ন সংবাদ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি বেশ চর্চিত ছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো না হলেও অভিযুক্ত নয়জন স্থানীয় ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে নিলামের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে শুধু নিলামের সময়ই নয়, পুরো বিপিএলের আয়োজনজুড়েই ফিক্সিং রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে যাচ্ছে বিসিবি।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) থেকে দুজন করে সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এই উদ্যোগ সম্পর্কে বিসিবির সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন জানান, ‘খেলার স্বচ্ছতা ও সততার নিশ্চয়তার জন্য আমরা নতুন এই ব্যবস্থা চালু করছি। আমাদের নিজস্ব ইন্টিগ্রিটি টিম থাকবেই, তবে এবার সিআইডি অফিসাররা সরাসরি প্রতিটি দলের সঙ্গে থাকবেন। একজন পোশাকধারী, আরেকজন সাদাপোশাকে।’

সিআইডি সদস্য নিয়োগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাখাওয়াত বলেন, ‘সিআইডি বাংলাদেশ পুলিশের সবচাইতে উন্নত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন সংস্থা। তাদের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি আছে। প্রয়োজন হলে তারা হোয়াটস্যাপসহ সকল ধরনের যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ করতে পারে। আমরা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বচ্ছতা বজায় রাখব। পাশাপাশি খেলোয়াড় ও দর্শকদেরও দেখাতে চাই যে আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।’

২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দ্বাদশ বিপিএলে এই উদ্যোগ ফিক্সিং রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিসিবি আশা করছে, এই পদক্ষেপ খেলায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে এবং দর্শকদের মধ্যে বিশ্বাস বাড়াবে।

Leave a Comment