অ্যাশেজে গোলাপি বলের অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়ার জন্য সুবিধা আনে: লাবুশাগনে মন্তব্য

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান মারনাস লাবুশাগন বলেছেন, দলের দ্যাশ-নাইট টেস্টে অভিজ্ঞতা তাদের বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় অ্যাশেজ টেস্টে একটি প্রকৃত সুবিধা প্রদান করবে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড প্রায় তিন বছর পর প্রথমবারের মতো গোলাপি বল ব্যবহার করছে।

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি দ্যাশ-নাইট টেস্ট আয়োজন করেছে। শেফিল্ড শিল্ডেও ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এবং সাম্প্রতিক দুই মৌসুমে আলোতে গোলাপি বল দিয়ে খেলা হয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বেন অলিভার জানিয়েছেন, এই ধরনের ম্যাচগুলো স্থানীয় খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে সাহায্য করে।

লাবুশাগন বলেন, “গোলাপি বলের সঙ্গে খেলার অভ্যাস শুরুতে আমাদের কাছে নতুন ছিল। প্রথমে সবাই লাল বল চাইছিল। তবে আমরা ধীরে ধীরে খেলার বিভিন্ন মুহূর্ত ও কৌশল আয়ত্ত করেছি। আশা করি, এই অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য সুবিধাজনক হবে।”

অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ককে বিশ্বসেরা গোলাপি বলের সুইং বোলার হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। “উচ্চ গতি, লেট সুইং এবং বামহাতি বোলিং মিলিয়ে তাকে বিপজ্জনক করে তোলে,” লাবুশাগন বলেন।

লাবুশাগনের দ্যাশ-নাইট টেস্টে ব্যাটিং গড় ৬৩.৮৬, যা তার ক্যারিয়ারের গড় ৪৬.৩৪-এর চেয়ে ৩৮% বেশি। তিনি বলেন, “দিন-রাতের পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে খেলার ধরন সামঞ্জস্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সময় খেলা ধীর, কিছু সময় দ্রুত। সঠিক সময়ে খেলার কৌশল ম্যাচে সুবিধা আনতে পারে।”

ভারত বিরোধী ম্যাচে নাথান ম্যাকসুইনির সঙ্গে রাতের সেশনে ব্যাটিং অভিজ্ঞতা উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “যদি টস জিতে ব্যাটিং শুরু করেন, রাতের সেশন এবং পরবর্তী দিনের খেলা সুবিধা নিতে সাহায্য করে।”

শেষে ব্যাটিং অর্ডারের গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেছেন লাবুশাগন। “অর্ডার অনুযায়ী ব্যাটিং করা সময়কে সামঞ্জস্য দেয়, তবে মূল বিষয় হলো রান করা।”

Leave a Comment