ভলিবল খেলার দল । ভলিবল খেলার চার নম্বর আইন । খেলাধুলার আইন

ভলিবল খেলার দলঃ ভলিবল একটি জনপ্রিয় খেলা। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ভলিবলের রয়েছে অসম্ভব জনপ্রিয়তা। কি শহরে কি গ্রামে সর্বত্রই রয়েছে এ খেলার সমান কদর। ভলিবল খেলা শীতকালে অনুষ্ঠিত হয় । এ কারণে এ খেলা শীতকালীন খেলাধূলার মধ্যে গণ্য। স্বল্প পরিসর স্থানে একসাথে অনেক খেলোয়াড় মিলে এ খেলা সম্ভব।

ভলিবল খেলার আবিষ্কারক হিসেবে আমেরিকার নিউইয়র্কের উইলিয়াম জি মারগানের নাম সর্বজন স্বীকৃত। তিনি এ খেলার নাম দেন “মিনটোনেট”। ১৮৯৫ সালে এ খেলার উৎপত্তি।

 

ভলিবল খেলার দল । চার নম্বর আইন

 

১৯২৩ সালে চোকাশ্লোভাকিয়ায় বিশ্বের প্রথম ভলিবল ফেডারেশন গঠিত হয় । ১৯২৭ সালে জাপানে ১৯২৮ সালে আমেরিকায় ভলিবল ফেডারেশন গঠিত হয়। ১৯২৯ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি কিউবায় অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ভলিবল অনুষ্ঠানের স্বীকৃতি দেয়। ১৯৩৩ সালে মেয়েদের ভলিবলের সূচনা হয়।

১৯৪৯ সালে সিরিয়া বিশ্ব ভলিবল চ্যাম্পিয়নশীপ, ১৯৫২ সালে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ, ১৯৬৫ সালে পুরুষ বিশ্বকাপ ভলিবল, ১৯৭৩ সালে মহিলা বিশ্বকাপ ভলিবল, ১৯৭৭ সালে জুনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ খেলার চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ।

 

ভলিবল খেলার দল । চার নম্বর আইন

 

ভলিবল খেলার দল । চার নম্বর আইন

১. দল গঠন ও অন্তর্ভুক্তি

(ক) ১ জন কোচ, ১ জন সহকারি কোচ, ১ জন ডাক্তার অথবা ট্রেইনার ও ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে প্রত্যেক দল গঠন করা হবে।

(খ) কেবলমাত্র স্কোরশীটে তালিকাভুক্ত খেলোয়াড়রাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন ।

(গ) খেলোয়াড় তালিকা নথিভুক্ত করার পর তাতে অধিনায়ক ও কোচ সাক্ষর করলে তা আর রদ বদল করা যাবে না।

 

২. অধিনায়ক নিয়োগ

(ক) স্কোর শীটে তালিকাভুক্ত খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে যে কোন একজন অধিনায়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন।

(খ) অধিনায়ককে সহজে চিহ্নিত করণের জন্য তার বুকের বাঁ পাশে ৮/২ সেন্টিমিটার মাপের প্রতীক বা ফিতা লাগানো থাকবে। অবশ্যই তা জার্সির রং থেকে আলাদা রংয়ের হবে।

(গ) অধিনায়ক যদি কোন কারণে মাঠ ত্যাগ করেন তবে কোচ বা অধিনায়ক নিজে অপর কোন খেলোয়াড়কে অধিনায়ক মনোনীত করবেন।

Leave a Comment