চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ সূচনা করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে প্রথম ম্যাচেই আতালান্টাকে ৪–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে প্যারিসের ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতেই ছন্দে আসে পিএসজি। মাত্র তৃতীয় মিনিটে মার্কিনিউসের গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপর একের পর এক আক্রমণে বিপর্যস্ত হয় আতালান্টার রক্ষণভাগ। ৩৯ মিনিটে কাভারাস্কেইয়ার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় প্যারিসিয়ানরা।
অ্যানফিল্ডে শুরুটা হয় আরও আগ্রাসী ভাবে। ম্যাচের প্রথম ৬ মিনিটেই দুই গোল পেয়ে যায় লিভারপুল। রবার্টসনের পর মোহাম্মদ সালাহর গোলে দ্রুত লিড নেয় ইংলিশ জায়ান্টরা। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ফুটবলাররা যেন নিজেদের ছায়া হয়ে ছিলেন। আলভারেজ ও আলমাদা অনুপস্থিত থাকায় এবং শুরুতেই দুই গোল খেয়ে তারা ম্যাচে ফেরার আশা প্রায় হারিয়েছিল।
তবু হাল ছাড়েননি মার্কোস ইয়োরেন্তে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ করেন তিনি, আর ৮১ মিনিটে আবারও গোল করে সমতা ফেরান। যখন ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই উদ্ধারকর্তা হয়ে আসেন ভার্জিল ভ্যান ডাইক। যোগ করা সময়ে হেডে গোল করে ৩–২ ব্যবধানে জয় এনে দেন লিভারপুলকে। এই জয়ে ম্যানেজার আর্নে স্লটের ৪৭তম জন্মদিনে উপহার দিয়েছেন দলের অধিনায়ক।
অন্যদিকে, মিউনিখে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়ও জয় পেয়েছে বায়ার্ন। ২০ মিনিটে চেলসির ডিফেন্ডার চালোবাহ আত্মঘাতী গোল করলে এগিয়ে যায় বাভারিয়ানরা। কিছুক্ষণ পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। তবে ২৯ মিনিটে মালো গুস্তোর পাস থেকে কোল পালমার এক গোল শোধ করে চেলসিকে ফেরার ইঙ্গিত দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে আর সুযোগ পায়নি চেলসি। ৬৩ মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলে কেইন গোল করে বায়ার্নের জয় নিশ্চিত করেন। এই গোলের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন ইংলিশ তারকা। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নেইমারের পর তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে দুটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে ২০টির বেশি গোল করলেন।
