ইংল্যান্ডের পেস বোলার মার্ক উডের তৃতীয় আসেস টেস্টে খেলতে পারার বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ৩৫ বছর বয়সী উড দীর্ঘ নয় মাসের বিরতির পর প্রথম টেস্টে ফিরেছিলেন, তবে ব্রিসবেনে দ্বিতীয় টেস্টে তার বাম হাঁটুর সমস্যা কারণে তাকে মাঠের বাইরে রাখা হয়।
উডের হাঁটুর আঘাতই মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। প্রথম টেস্টের আগে Perth-এ তিনি নিজের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফিটনেস ফিরে পাওয়া চেষ্টা করছিলেন। দ্বিতীয় টেস্টে অনুপস্থিতি ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণে প্রভাব ফেলেছে। মাঠে ফেরার সময় উড জানিয়েছেন, “আশা করা যায় Adelaide-তে খেলতে পারব, তবে বাস্তবে Melbourne এবং পরবর্তীতে Sydney-এর টেস্টে অংশগ্রহণ সম্ভব।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “প্রথমে আমাকে এই (হাঁটুর) ব্রেস ছাড়া চলাফেরা করতে হবে।”
উড একজন দ্রুতগতির বোলার হিসেবে পরিচিত হলেও, তার কেরিয়ারে আঘাতের ইতিহাস দীর্ঘ। Perth টেস্টের আগে তার ১৫ মাসের বিরতি ছিল, যেখানে প্রথমে কনুইতে সমস্যা এবং পরে বাম হাঁটুর অস্ত্রোপচার তার খেলায় অন্তরায় সৃষ্টি করেছিল। মাঠে ফেরার আগেও Ashes-এর প্রাক-প্রশিক্ষণ ম্যাচে England Lions-এর বিপক্ষে ৮ ওভার বল করার সময় বাম হ্যামস্ট্রিং-এ টান অনুভব করেছিলেন। তবে স্ক্যান রিপোর্ট কোনো গুরুতর সমস্যা না দেখায় তাকে Perth টেস্টে খেলার অনুমতি দেওয়া হয়।
উডের উপস্থিতি ইংল্যান্ডকে উচ্চগতির বোলিং আক্রমণ চালানোর সুযোগ দিয়েছে। Perth Stadium-এ পাঁচজনের পেস আক্রমণ পরিকল্পনা অনুযায়ী মাঠে নামানো হয়েছিল, যা প্রথম দিনে ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গতির বোলিং রেকর্ডে রূপান্তরিত হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় দিনে স্পিড কমে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া সহজে জয় লাভ করেছে।
উডের ফিটনেস পুনরুদ্ধার কেবল তার নিজের জন্য নয়, পুরো ইংল্যান্ড দলের কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তৃতীয় টেস্টে ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
