ফরাসি চ্যাম্পিয়ন্স পিএসজি ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফের প্রথম লেগে মোনাকোর বিপক্ষে দারুণ মনোযোগী খেলার মাধ্যমে ৩-২ গোলের জয় অর্জন করে আশা বাঁচিয়ে রাখল। ম্যাচের শুরুতেই শীঘ্রই দুইটি গোল হজম করে পিএসজি বিপদসংকেত পেয়েছিল। তবে লুইস এনরিকের শিষ্যরা দৃঢ় মনোবল প্রদর্শন করে ম্যাচের বাকি সময় দাপট দেখিয়ে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে।
ম্যাচের মাত্র ৫৫ সেকেন্ডে প্রথম গোল হজম করে পিএসজি। মোনাকোর ফোলারিন বালাগুন দলের প্রতিরক্ষা ভুলের সুযোগ নিয়ে জালের গহীনে বল পাঠান। ১৮ মিনিটে একই খেলোয়াড়ের দ্বিতীয় গোলে পিএসজি আরও চাপের মুখে পড়ে। শুরুতে হজম করা গোলের পর দল গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত তাদের খেলার নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসে।
মোনাকোর শিবিরে আরও চাপ সৃষ্টি হয়, যখন ওসমান দেম্বেলে পায়ের চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। তার বদলি হিসেবে নেমে দেজিরে দুয়ে মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে ম্যাচের ২৯ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন। ৪১ মিনিটে আশরাফ হাকিমি গোল করে সমতা ফেরান, যা পিএসজির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ায়।
দ্বিতীয়ার্ধে মোনাকোর আলেকসান্দ্র গোলোভিন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। দশ জনের দলে রূপান্তরিত মোনাকো আর পিএসজির সঙ্গে লড়াইয়ে টিকতে পারেনি। ৬৭ মিনিটে দেজিরে দুয়ের দ্বিতীয় গোলে নিশ্চিত হয় পিএসজির জয়। পুরো ম্যাচে পিএসজি বলের নিয়ন্ত্রণে ছিল প্রায় ৭৩% সময় এবং ২৯টি শট করে, যার মধ্যে ১২টি লক্ষ্য বরাবর ছিল।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান
| দল | গোল | শট | শট অন টার্গেট | বলের নিয়ন্ত্রণ (%) | লাল কার্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| পিএসজি | ৩ | ২৯ | ১২ | ৭৩ | ০ |
| মোনাকো | ২ | ১৫ | ৬ | ২৭ | ১ |
এছাড়া ইউরোপিয়ান লিগের অন্য ম্যাচে জুভেন্টাস গ্যালাতাসারার কাছে ৫-২ গোলে হারায়। আগামী বুধবার দ্বিতীয় লেগে উভয় দল পুনরায় মুখোমুখি হবে, যা জুভেন্টাসের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হবে।
পিএসজি-এর এই জয় শুধু স্কোরবোর্ডে নয়, দলের মনোবলও পুনঃস্থাপন করেছে। শুরুতে বিপদসংকেত থাকলেও দলের ঘুরে দাঁড়ানো পারফরম্যান্স তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আশা ধরে রাখল।
