বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন আবারও ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছেন। শনিবার রাতে এমএইচপি অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত বুন্দেসলিগার ম্যাচে স্টুটগার্টের বিপক্ষে ২৭ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করে বেন্চ থেকে নামা মাত্র একজন খেলোয়াড়ই পুরো ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করলেন।
ম্যাচের সূচনা থেকেই বায়ার্ন আক্রমণে দৃঢ়। ম্যাচের ১০ মিনিটেই কনরাড লাইমারের গোল স্কোর বোর্ডে তিলকাল। মিখায়েল ওলিসের ক্রস থেকে লাইমারের চমৎকার ফ্লিক স্ট্রাইক স্টুটগার্টের গোলরক্ষক আলেকজান্ডার নুবেলকে বধ করে। যদিও স্টুটগার্ট এরপর প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের একটি হেড গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়।
৬০ মিনিটে কোচ নিকোলাস জ্যাকসন হ্যারি কেইনকে বেন্চ থেকে নামান। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ইংল্যান্ড অধিনায়ক প্রতিদ্বন্দ্বীর জালে বল জড়ান। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে একটি নিখুঁত শট গোলের পথে যায়। কেবল তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গে বদলি হিসেবে নামা যোসিপ স্টানিসিচও গোল করেন এবং স্কোর ৩-০ করেন।
৮০ মিনিটে লরেঞ্জ আসিনিওনের হাতের অপরাধে বায়ার্ন পেনাল্টি পায়। কেইন ঠাণ্ডা মাথায় পেনাল্টি সম্পন্ন করে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল নিশ্চিত করেন। ৮৭ মিনিটে ওলিসের ক্রসে সমাপ্ত হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করে ম্যাচকে চূড়ান্ত আকার দেন।
এই জয়ে বায়ার্ন মিউনিখ ১৩ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে মৌসুমে তাদের আধিপত্য বজায় রাখল। স্টুটগার্ট ২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে। হ্যাটট্রিকের সঙ্গে কেইনের মোট গোল সংখ্যা সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৮। চলতি মৌসুমে এটি তার তৃতীয় হ্যাটট্রিক।
খেলোয়াড়ের দক্ষতা, সময়ের ব্যাবস্থাপনা, এবং দ্রুত গোল করার ক্ষমতা বায়ার্নকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। এই ম্যাচে কেইনের প্রভাব পুরো দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
