বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ফিল সিমন্স, আর দলের ব্যাটিং ইউনিট সামলাচ্ছেন সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন কোচ সালাউদ্দিনও। তবে অধিনায়ক লিটন দাস দায়টা ক্রিকেটারদের কাঁধেই দিয়েছেন, কোচদের দোষারোপ করতে চাননি তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টি–টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে হেরে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘একজন কোচ কেবল আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু সে তো মাঠে নেমে খেলবে না। আমাদের ধারণা দিয়ে সহায়তা করে, কিন্তু মাঠে পারফর্ম করতে হয় আমাদেরই। কোচরা আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। দোষ আমাদের—আমরা ভালোভাবে ব্যাট করতে পারিনি। আশা করি এখান থেকে শিখে সামনে ভালো করব।’
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৫১ রান। লিটনের মতে, সেটি কন্ডিশন অনুযায়ী খারাপ স্কোর ছিল না। তিনি বলেন, ‘যদি ২০০ রানের মতো উইকেট হয়, তাহলে ব্যাটাররা স্বাভাবিকভাবেই রান করবে। আফগানিস্তান সিরিজে আমরা ১৬০ রান ডিফেন্ড করেছি। আজকের উইকেটও ১৬০ রানের মতো আচরণ করছিল। তাই প্রত্যেক ব্যাটারের স্ট্রাইকরেট বেশি না থাকাটাই স্বাভাবিক।’
তিনি আরও যোগ করেন, শিশিরের কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে কন্ডিশন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে চলে যায়, ‘আজ আমরা একটু দুর্ভাগ্যজনক অবস্থায় পড়েছিলাম। কিছু জিনিস আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না—যেমন আবহাওয়া। আমরা উইকেট দেখে অনুমান করতে পারি, কিন্তু সেটা সব সময় মেলে না। তারাও তিনজন স্পিনার খেলিয়েছে, মানে তারাও ভেবেছিল উইকেটে টার্ন থাকবে। প্রথম দুই দিনে শিশির ছিল না, কিন্তু আজ পুরো ম্যাচটাই শিশিরে ভিজে গেল।’
লিটন বলেন, ‘আমরা যখন ব্যাট করেছি, তখন উইকেট শুকনো ছিল, বল ভালোভাবে গ্রিপ করছিল। কিন্তু তারা ব্যাট করতে নামার সময় সবকিছুই তাদের পক্ষে চলে যায়। আমাদের চেষ্টা ছিল, বোলাররাও ভালো এফোর্ট দিয়েছে। যদি প্রথম ইনিংসে ২০০ রান করতে পারতাম—যা এই উইকেটে প্রায় অসম্ভব—তাহলে হয়তো ফল অন্য রকম হতে পারত। ১৫১ রান যথেষ্ট ছিল, যদি মাঠ শুকনো থাকত এবং শিশির না পড়ত।’
