চার পেনাল্টি রুখে পিএসজিকে প্রথম বৈশ্বিক শিরোপা এনে দিলেন মাতভেই সাফোনভ

গতকাল রাতে কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ ফাইনালে প্যারিস সাঁজার্মেই (পিএসজি) ইতিহাস গড়ে ফেলেছে। ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় শেষে স্কোর ছিল ১–১। তবে টাইব্রেকারের নৈপুণ্য ও সাফোনভের বীরত্বই দলের প্রথম বৈশ্বিক শিরোপার মূল চাবিকাঠি হয়ে দাঁড়ায়।

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে খিচা কাভারাস্কেইয়ারের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ৬২ মিনিটে জর্জিনিও পেনাল্টি থেকে সমতা ফিরিয়ে আনেন ফ্ল্যামেঙ্গোর জন্য। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ের শেষে কোন গোল না হওয়ায় ম্যাচ চলে যায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানেই মাতভেই সাফোনভ একাই চারটি পেনাল্টি রুখে দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছে।

পিএসজির কোচ লুইস এনরিকের দল ২০২৫ সালে মোট ছয়টি শিরোপা জিতেছে। এর আগে তারা ফরাসি সুপার কাপ, ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ, ফরাসি কাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং উয়েফা সুপার কাপ জয় করে। এবার ক্লাবের কেবিনেটে যোগ হলো প্রথম বৈশ্বিক ট্রফি।

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য টেবিল আকারে:

ঘটনা/গোলসময়দলখেলোয়াড়/উল্লেখযোগ্য ঘটনা
প্রথম গোল৩৮ মিনিটপিএসজিখিচা কাভারাস্কেইয়ার
সমতা৬২ মিনিটফ্ল্যামেঙ্গোজর্জিনিও (পেনাল্টি)
টাইব্রেকার ফলপিএসজি২–১ গোলে জয়
পেনাল্টি শুটআউটপিএসজিমাতভেই সাফোনভ চারটি শট আটকান

জয়ের পর পিএসজির তারকা ভিতিনিয়া বলেন, “দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে খেলাটা একেবারে কঠিন ছিল। আমরা পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছিলাম। এই জয়ের জন্য আমাদের সবাই শতভাগ দিয়ে লড়েছি।”

ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপটি ফিফা আয়োজিত টুর্নামেন্ট, যেখানে ছয়টি মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন অংশ নেন। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা সরাসরি ফাইনালে খেললেও অন্যান্য কনফেডারেশনের দলগুলোকে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আসতে হয়। ২০২৪ সালে কাতারে প্রথমবার এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পুরোনো ক্লাব বিশ্বকাপ (২০০৫–২৩) এর পরিবর্তে নতুন ফরম্যাটে এটি পুনরায় আয়োজিত হয়।

এবারের ফাইনালে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন পিএসজি এবং দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন ফ্ল্যামেঙ্গোর মুখোমুখি লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছে প্যারিসিয়ানদের। মাতভেই সাফোনভের বীরত্বই ছিল সেই জয়ের মূল চাবিকাঠি।

Leave a Comment